The Tide Will Turn

Shahidul Alam: The Tide Will Turn

Edited by Vijay Prashad

Texts by Shahidul Alam and Arundhati Roy

To my fellow prisoners in Keraniganj Jail, and the youth of Bangladesh who continue to resist, and to Abrar Farhad who was murdered by fellow students for his defiance.
Book design by Shahidul Alam and Holger Feroudj / Steidl Design
184 pages
7.3 x 9.3 in. / 18.5 x 23.5 cm
37 black-and-white and 74 colour photographs Four-colour process
Clothbound hardcover
€ 28.00 / £ 25.00 / US$ 30.00
ISBN 978-3-95829-693-0
A Bangladeshi policeman gags photographer Shahidul Alam to prevent him from speaking to the press during a court appearance 6 August 2018. Photo courtesy Suvra Kanti Das

“On the night of 5 August, I did not know if I was going to live or die,” writes Shahidul Alam, one of Bangladesh’s most respected photo- journalists, essayists and social activists, remembering his arrest, torture and eventual 101-day incarceration in Keraniganj Jail in 2018. Just a few hours before, he had given a television interview criticising the government’s brutal handling of the student protests of that year which had called for improved road safety and an end to wider social injustice—in his words, “the years of misrule, the corruption, the wanton killing, the wealth amassed by the ruling coterie.” Combining Alam’s photos and texts with those of a range of collaborators, including artwork by Sofia Karim and fellow inmates, The Tide Will Turn documents his experiences, the global support for his release, and the ongoing fight for secularism and democracy in Bangladesh and beyond.

Free Shipping Worldwide: Click here to place order

Described by its editor Vijay Prashad as about “the beauty and tragedy of our world, about how to photograph that dialectic,
and about how to write about it,” Continue reading “The Tide Will Turn”

সেনাবাহিনী বিষয়ে আমার বক্তব্য খন্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নামক একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে ২০১৩ সালে ডয়েচে ওয়েলেকে দেয়া আমার একটি সাক্ষাৎকার থেকে খন্ডিতভাবে এক টুকরো অংশ উদ্ধৄত করে একটি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেখানে বলেছে:

“দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল শহিদুল আলম। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে আন্তর্জাতিক একটি মিডিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।”

২১ বছর আগে অপহৃত হিল উইমেন্স ফেডারেশেনের নেত্রী কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমি ২০১৩ সালে যেই প্রদশর্নী করেছিলাম তার উপর দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পুরোটুকু ফেলে দিয়ে মাঝখান থেকে  খন্ডিতভাবে ছোট এক টুকরো অংশ কেটে নিয়ে তারা যেভাবে প্রচার করছে তার থেকে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, কল্পনা চাকমার অপহরণের সাথে সেনা সদস্যর সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ, যার উল্লেখ আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও ২০০৯ সালের একটি টিভি টক শোতে করেছিলেন, সেই অভিযোগের কোন বিচার এত বছর ধরে হয়নি। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে যে জাতিগত নিপীড়ন চলমান তারও কোন সুরাহা দশকের পর দশক ধরে হয়নি। এরই প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সামগ্রিকতার আলোকে কিছু আলোচনা আমি ঐ সাক্ষাতকারে করি। পাশাপাশি আমার যে প্রদর্শনী কল্পনা চাকমার অপহরণ নিয়ে হয়েছিল সেই প্রদর্শনীরও নানা দিক আমি সেখানে তুলে ধরি। ফলে সেখানে আমাকে কল্পনা চাকমার অপহরণের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে যখন প্রশ্ন করা হয় “তার মানে এটা কি বলা যায় যে কোন সরকারই আসলে সামরিক বাহিনীর বিষয়ে বিশেষ কোন কিছু, কোন উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী নয়?” তখন এর উত্তরে আমি যা বলি তা ছিল নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভাল। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। এমনকি যে জায়গায় তাদের থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি আমাদের এই বর্ডারে যে বাঙালীদের পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফরা গুলি করছে সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে তাদের অন্তত এই পরিস্থিতিতে বাঙালীদের, বাংলাদেশীদের বাঁচানো সেই কাজেও তারা কোন কিছু করেনি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানীরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারী আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন? কিন্তু যে কথা আপনি বললেন, যখন যে সরকারই এসেছে এদেরকে তুষ্ট করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। এবং এটাও ভাবতে হবে যে আমাদের দেশের জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে, জেনারেল জিয়াকে যারা হত্যা করেছে, আমাদের নেতাদের জেলে যারা হত্যা করেছে তারা কিন্তু এই দলেরই মানুষ।”

কিন্তু আমার উত্তর থেকে বিএসএফ এর সীমান্ত হত্যা ঠেকাতে না পারা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যা বিষয়ক  খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে  তারা যেভাবে খন্ডিত আকারে আমার বক্তব্যটি প্রচার করছে তা নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভালো। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানিরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারি আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন?”

এভাবে আমার প্রায় পুরো সাক্ষাতকারটাই বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে একটি প্রশ্নকে বেছে নিয়ে তার উত্তরে আমি যা বলেছিলাম তারও গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ বাদ দিয়ে যেভাবে খন্ডিতভাবে আমার বক্তব্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আমার কাছে এটা বিস্ময়কর যে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেইজ কি করে আমার উত্তর থেকে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে ছেঁটে ফেলল! আমি মনে করি সামগ্রিকতার আলোকে সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়েই গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থেই সামরিক বাহিনী সহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উচিত এসব গঠনমূলক সমালোচনাকে নির্মোহভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা, আমলে নেয়া। সেই রাস্তা বন্ধ করাই বরং সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের মুখোমুখি করার ষড়যন্ত্রের সামিল।

আমার সাক্ষাতকারের অডিও লিংক পাবেন এখানে। আগ্রহীরা শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

শহিদুল আলম

 

 

Kalpana's Warriors in Delhi

Kalpana's Warriors_Exehibition Opening
Opening of “Kalpana’s Warriors” at Drik Gallery 12 June 2015 on the 19th anniversary of her abduction. Photo: Habibul Haque/Drik

Shahidul Alam has long been gripped by the life of a woman he has never met.

It’s been two decades since Kalpana Chakma was abducted, but Shahidul refuses to forget her. Standing at the threshold of his latest exhibition,Kalpana’s Warriors, the Bangladeshi photographer pauses for a moment.

In the room beyond is the third in a series of photo exhibitions that began with Searching for Kalpana Chakma in 2013, and was followed by 18 in 2014. The woman around whom these pictures revolve is notably absent from them. She was abducted at gunpoint in the early hours of 12 June 1996 from her home in Rangamati in Bangladesh. Her captors were a group of plain-clothed men who were recognised as being from a nearby army camp. Kalpana never returned home and her fate remains unknown.

When the exhibition first opened at the Drik Gallery in Dhaka, many of those who had been photographed could not risk coming out of hiding, yet the room was full of people who knew Kalpana’s story intimately. Some simply stood for a while before the portraits, others wept.
Continue reading “Kalpana's Warriors in Delhi”

Kalpana's Warriors opens in Delhi

Invitation-KW-final-20160119-1024x768
Kalpana Chakma, a young leader of the Bangladeshi Hill Women’s Federation, was abducted from her home by military personnel and civilian law enforcers at gunpoint on 12 June 1996. She remains missing. Through this work, part of Driks “No More” campaign, photographer “Shahidul Alam” has tried to break a silence that successive governments, whether civilian or military backed, have carefully nurtured. The exhibition uses laser etching on straw mats, an innovative technique developed specifically for this exhibition. The process involved in creating these images is rooted to the everyday realities of the hill people, the paharis. Interviewees had repeatedly talked of the bareness of Kalpana’s home. That there was no furniture. That Kalpana slept on the floor on a straw mat. The straw mats were burned by a laser beam much as the fire that had engulfed the pahari villages.
Shilpakala Award recipient Shahidul Alam, set up Drik and Majority World agencies, Pathshala South Asian Media Institute and Chobi Mela festival. Honorary Fellow of the Royal Photography Society and visiting professor at Sunderland University. Alam has chaired the World Press Photo jury. Alam also introduced email to Bangladesh. His book my journey as a witness has been described as “the most important book ever written by a photographer” by legendary picture editor of Life Magazine, John Morris. He is an internationally acclaimed public speaker and has presented at Hollywood, National Geographic, re:publica, COP21 and POP Tech.
Reviews:
What’s Hot
Buzz in Town
Artslant
Blouinartinfo
Events High
The Statesman

As Drik As Possible

The dot matrix Olivetti printer was noisy. The XT computer came without a hard drive: two floppy disks uploaded the operating system. When the electricity went (as it often did), we had to reload it. Our bathroom doubled as our darkroom. A clunky metal cabinet housed our prints, slides, negatives and files. Anisur Rahman and Abu Naser Siddique were our printers; I was photographer, manager, copy editor and part-time janitor. Cheryle Yin-Lo, an Australian who had read about us in a magazine, joined as our librarian. We offered and she happily accepted a local salary. My partner Rahnuma Ahmed often got roped in when we were short-staffed, which was often.

Climate_Migrants
Climate Migrants: “Our people are driven by a terrible sense of deficiency. When the last tree is cut, the last fish is caught, and the last river is polluted; when to breathe the air is sickening, you will realize, too late, that wealth is not in bank accounts and that you can’t eat money.” Alanis Obomsawin Photo Abir Abdullah from his series on Climate Change.

Continue reading “As Drik As Possible”

As Drik as Possible

Introduction to the Drik 2016 calendar.

A behind the scenes glimpse at a remarkable media phenomenon:

The dot matrix Olivetti printer was noisy. The XT computer came without a hard drive: two floppy disks uploaded the operating system. When the electricity went (as it often did), we had to reload it. Our bathroom doubled as our darkroom. A clunky metal cabinet housed our prints, slides, negatives and files. Md. Anisur Rahman and Abu Naser Siddique were our printers; I was photographer, manager, copy editor and part-time janitor. Cheryle Yin-Lo, an Australian who had read about us in a western magazine, joined as our librarian. We offered and she happily accepted a local salary.

Continue reading “As Drik as Possible”

Moving opening ceremony of "Kalpana's Warriors"

Remarkable: Noam Chomsky

Absolutely stunning: Jess Worth. New Internationalist Magazine (Oxford)

We had a fabulous opening with moving recitation of Kabita Chakma’s poem “I will defy” by Aungmakhai ChakMarium Rupa and Rahnuma Ahmed. Many of the warriors were present in person. We were sad to miss Saydia Gulrukh, but her presence was felt.

I will resist, I shall defy
Will you do as you please?
You turned my home into sand
It was a forest where I stand
You made daylight go dark
Left it barren never a spark
I will resist. I shall defy
You strip me of my land
On my women, your hand
No longer shall I see
No longer will I be
Abandon, neglect, rage
A throbbing womb, my stage
I curl, I tear asunder
Awake, I search, I wander
I am who I am
And I will resist
I shall defy
Poem by Kabita Chakma
Translation by Shahidul Alam
Thanks to Arshad Jamal and Chris Riley for their support and Mohammad Mohsin Miah for helping with the printing. ASM Rezaur Rahman curated the show and the entire teams from Drik’s Publication, Gallery, Photography and Audio Visual Department as well as the volunteers from Pathshala did a wonderful job. We shall resist and we will continue to defy.

#kalpana ‘s Warriors by #Shahidul Alam at #Drik Gallery #photography #art #bangladesh #CHT #rights #dhaka #dhanmondi

A photo posted by Shahidul Alam (@shahidul001) on


Opening of "Kalpana's Warriors" at Drik Gallery II. Photo by Habibul@Drik
Opening of “Kalpana’s Warriors” at Drik Gallery II. Photo by Habibul@Drik

 

Opening of #kalpanaswarriors at #Drik gallery #dhaka #dhanmondi #photography #bangladesh #cht #rights A photo posted by Shahidul Alam (@shahidul001) on

Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors exhibition opening at Drik Gallery

Kalpana's Warriors

Remarkable: Noam Chomsky

Absolutely stunning: Jess Worth. New Internationalist Magazine (Oxford)

E-Invitation card

They told me you were quiet. But I felt the rage in your silence. That when you spoke, they rose above themselves. But I felt their fear. That they held you amidst them. But I felt their loneliness. They pointed to the Koroi tree where you would all meet. The banyan tree under which you spoke. Ever so powerfully. They pointed to the mud floor, where you slept. I touched the mat that you had rested upon, and I knew I had found the vessel that must hold your image.

New settlements with glistening tin roofs dot the hillsides. According to Amnesty International as of June 2013 the Bangladeshi government had still not honored the terms of the peace accord nor addressed the Jumma peoples concerns over the return of their land. Amnesty estimate that there are currently 90,000 internally displaced Jumma families. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
New settlements with glistening tin roofs dot the hillsides. According to Amnesty International as of June 2013 the Bangladeshi government had still not honored the terms of the peace accord nor addressed the Jumma peoples concerns over the return of their land. Amnesty estimate that there are currently 90,000 internally displaced Jumma families. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

They had tried to erase you, your people, your memory. They had torched your homes and when coercion failed, when you remained defiant, they took you away, in the dead of night.

Abandoned typewriter in the room where Kalpana and her comrades used to meet. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Abandoned typewriter in the room where Kalpana and her comrades used to meet. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

The leaves burned as the soldiers stood and watched. The same leaves they weave to make your mat. The same leaves I shall burn, to etch your image. Will the burning mat hold your pain? Will the charred leaves hold your anger? Will the image rising from the crisp ashen leaves reignite us? Will you return Kalpana?

Pahari protestors could previously go to the GOC's office to express their grievances. Today, in Khagrachori, they no longer have that access. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Pahari protestors could previously go to the GOC’s office to express their grievances. Today, in Khagrachori, they no longer have that access. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
The Shapla Mor in Khagrachori was also a centre of protest. Pahari protesters are no longer allowed there, though Bangali settlers have access, says Kabita Chakma, former president of the Hill Women's Federation. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
The Shapla Mor in Khagrachori was also a centre of protest. Pahari protesters are no longer allowed there, though Bangali settlers have access, says Kabita Chakma, former president of the Hill Women’s Federation. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

For nineteen years I have waited, my unseen sister. For nineteen years they have waited, your warriors. Pahari, Bangali, men, women, young old. Was it what you said? What you stood for? Was it because you could see beyond the land, and language, the shape of one?s eyes and see what it meant to be a citizen of a free nation? For pahari, bangali, bihari, man, woman, hijra, rich, poor, destitute, Hindu, Muslim, Christian, Buddhist, Atheist, Agnostic, Animist.

Posters in the meeting room where Kalpana and her comrades used to gather. Khagrachori. CHT. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Posters in the meeting room where Kalpana and her comrades used to gather. Khagrachori. CHT. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

You had reminded us that a nation that fought oppression, could not rule by oppressing. That a people that fought for a language, could not triumph by suppressing another’s. That the martyrs who died, so we might be free, did not shed their blood, so we could become tyrants. That we who overcame the bullets and bayonets of soldiers, must never again be ruled through the barrel of a gun.

That Kalpana is what binds us. That is why Kalpana, you are not a pahari, or a woman or a chakma or a buddhist, but each one of us. For there can be no freedom that is built on the pain of the other. No friendship that relies on fear. No peace at the muzzle of a gun.

These Kalpana are your warriors. They have engaged in different ways, at different levels, sometimes with different beliefs. Some have stayed with you from the beginning. Others have drifted. They have not always shared political beliefs. But for you Kalpana, my unseen sister, they fight as one.

18492140629_057f1a44eb_b

The Process

The process involved in creating these images are rooted to the everyday realities of the hill people, the paharis. Repeatedly, the interviewees talked of the bareness of Kalpana’s home. That there was no furniture, that Kalpana slept on the floor on a straw mat.

Rather than print on conventional photographic media, we decided we would use material that was part of pahari daily lives. The straw mat became our canvas. The fire that had been used to raze pahari homes, also needed to be represented, so a laser beam was used to burn the straw, etching with flames, the images of rebellion.

It was the politics of this interaction that determined the physicality of the process. The laser beam consisted of a binary pulse. A binary present on our politics. In order to render the image, the image had to be converted in various ways. From RGB to Greyscale to Bitmap, from 16 bit to 8 bit to 1 bit. To keep detail in the skin tone despite the high contrast, the red channel needed to be enhanced. The Resolution and intensity and duration of the laser beam needed to be brought down to levels that resulted in the straw being selectively charred but not burnt to cinders.

A screen ruling that separated charred pixels while maintaining gradation had to be carefully selected. And then, working backwards, a lighting mechanism needed to be found that broke up the image into a discrete grid of light and dark tones, providing the contrast, the segmentation and the gradation, necessary to simulate the entire range of tones one expects in a fine print. This combination of lighting, digital rendering, printing technique and choice of medium, has led to the unique one off prints you see in this exhibition. A tribute to a unique woman that had walked among us.

Eighteen

“I think it is natural to expect the caged bird to be angry at those who imprisoned her. But if she understands that she has been imprisoned and that the cage is not her rightful place, then she has every right to claim the freedom of the skies!” Kalpana Chakma

Dress belonging to Kalpana Chakma. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Dress belonging to Kalpana Chakma. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

Eighteen. The legal age to vote. The age of sexual consent. The threshold of adulthood when one ceases to be a child. Eighteen. The sections of the Mahabharata. Eighteen armies fighting over eighteen days. Eighteen, the number of years we have waited for justice. Eighteen years that you have been gone Kalpana, my sister.
Continue reading “Eighteen”

Deutsche Welle interviews Shahidul Alam on “Searching for Kalpana Chakma” show (Bangla)

Military’s sole role has been repression

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দৃকের প্রতিষ্ঠাতা ড. শহীদুল আলম৷ গত সপ্তাহে জার্মানি সফরকালে ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’৷

ডয়চে ভেলের গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম সম্মেলনে অংশ নিতে গত ১৭ থেকে ১৯ জুন বন শহরে অবস্থান করেন ড. শহীদুল আলম৷ এসময় ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি কল্পনা চাকমা অপহরণ বিষয়ে সর্বশেষ অনুসন্ধানের কথা জানান৷ সম্প্রতি শহীদুল এবং সায়দিয়া গুলরুখ এই চাকমা তরুণীর খোঁজ করেছেন৷ এই সংক্রান্ত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার দৃক গ্যালারিতে৷

কল্পনা চাকমা অপহরণ

বাংলাদেশে অন্যতম আলোচিত এবং চাঞ্চল্যকর ঘটনা কল্পনা চাকমা অপহরণ৷ ১৯৯৬ সালের ১১ জুন মধ্যরাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হন কল্পনা৷ এরপর থেকে আর তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি৷

সাক্ষাৎকারটি শুনতে ক্লিক করুন এখানে

কল্পনার অপহরণের বিষয়ে শহীদুল তাঁর গবেষণার ভিত্তিতে বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি অপহরণ করেছে তাকে চিহ্নিত করা সত্ত্বেও এই ১৭ বছরে পুলিশ কিন্তু তাকে একবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি৷ আমরা এতবছর পর যে তিনজন ব্যক্তি (কল্পনা চাকমা অপহরণে) অভিযুক্ত তাদের মধ্যে দু’জনকে খুঁজে পেয়েছি৷ তবে ল্যাফটেনেন্ট ফেরদৌসের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি৷”

শহীদুল জানান, কল্পনা চাকমা অপহরণের জন্য প্রধান অভিযুক্ত লেফটেনেন্ট ফেরদৌস৷ অথচ তাঁর সম্পর্কে কোন তথ্য সামরিক বাহিনীর কাছে নেই বা তারা তা প্রকাশ করতে চায় না৷ শহীদুল বলেন, ‘‘একটা স্বাধীন দেশে এরকম একটি ঘটনা ঘটে যাবার পরে সাধারণ নাগরিকের জানার যে অধিকার, সেটা থেকে তাঁরা আজও বঞ্চিত হচ্ছে, এটা আমাকে অবাক করে৷”

কল্পনা কি বেঁচে আছেন?

কল্পনা চাকমাকে এখনো অপহৃত হিসেবেই বিবেচনা করছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা৷ তাই তাঁকে ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন কিছুটা হলেও দেখছেন কেউ কেউ৷ ১৭ বছর আগের এই অপহরণের প্রত্যক্ষ সাক্ষী কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমার সঙ্গে কথা বলে সেটাই মনে হয়েছে শহীদুলের৷ তবে বাস্তবতা তেমন নয়৷ শহীদুল বলেন, ‘‘আমরা যদি ঠান্ডা বাস্তবতার কথা ভাবি, তাহলে আমাদের সকলের কাছেই বিষয়টি পরিষ্কার৷ শুধু যে তাঁকে ১৭ বছর ধরে পাওয়া যায়নি, তা নয়৷ তাঁর শেষ যে আর্তনাদ ‘দাদা মোরে বাঁচা’ ঐ জায়গা থেকে শোনা যায়৷ তারপর কিন্তু গুলির শব্দ শোনা যায়৷ এবং তারপরের দিন গ্রামবাসী সেই জলাশয়ে (যেখান থেকে আর্তনাদ এবং গুলির শব্দ শোনা গেছে) লাশ খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু পায়নি৷”

ড. শহীদুল আলম

শহীদুল বলেন, ‘‘সামরিক বাহিনীর স্বভাবও আমাদের জানা আছে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে, যেখানে এত রকমের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, যেই নিপীড়নের ইতিহাসের মধ্যে যখন এরকম একজন শক্তিশালী, বিপ্লবী নেতাকে অপহরণ করা হয়, তারপরে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম৷”

‘একমাত্র কাজ শোষণ করা’

কল্পনা চাকমাকে অপহরণের পর পেরিয়ে গেছে ১৭ বছর৷ এই সময়ে একাধিকবার সরকার বদল হয়েছে৷ কিন্তু কোনো সরকারই অপহরণের বিষয়টি সুরাহায় কার্যত কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি৷ তারমানে কি কোনো সরকারই সামরিক বাহিনীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী নয়? এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে শহীদুল বলেন, ‘‘আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি৷ ৪৩ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি, তারা কিন্তু দেশরক্ষায় একবারও নিয়োজিত হয়নি৷ আমাদের শান্তি আছে, সেটা ভালো৷ তবে বিশাল অংক এদের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে৷ যেটা শিক্ষায় যেতে পারতো, স্বাস্থ্যে যেতে পারতো, অন্যান্য খাতে যেতে পারতো৷”

শহীদুল বলেন, ‘‘এমনকি যে জায়গায় তাদের কাছ থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি, আমাদের সীমান্তে বাঙালিদের যে পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফ-রা গুলি করছে, সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে অন্তত বাঙালিদের, বাংলাদেশিদের বাঁচানো, সেই কাজেও তারা (সেনাবাহিনী) কোনো কিছু করেনি৷ তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা৷”

উল্লেখ্য, গত ১২ থেকে ২১ জুন ঢাকার দৃক গ্যালারিতে ‘কল্পনা চাকমার খোঁজে’ শীর্ষক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ এর আগে দৃকে দু’টি প্রদর্শনী সরকার বন্ধ করে দিলেও এবার সেরকম কিছু হয়নি বলে জানান শহীদুল৷

সাক্ষাৎকার: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের আরেক সহযোগী ‘দৃক’

জার্মান আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে সম্প্রতি দৃক মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ এই চুক্তির আওতায় দৃকের তৈরি বাংলাদেশভিত্তিক বিভিন্ন ‘মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট’ ব্যবহার করবে ডয়চে ভেলে৷ (24.06.2013)

‘পরপর দু’বার বাংলাদেশ জয়ী হলো, হ্যাট্রিকের আশায় থাকি’

ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড ‘দ্য বব্স’-এর বাংলা ভাষার বিচারক ড. শহীদুল আলম৷ অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও তাঁর সাফল্য কম নয়৷ তাই হ্যাট্রিকের অপেক্ষা করতেই পারেন শহীদুল৷ (07.05.2013)