2019 ICP Infinity Award: Shahidul Alam

Shahidul Alam is a Bangladeshi photojournalist, teacher, and social activist. A TIME “Person of the Year”, he is celebrated for his commitment to using his craft to preserve democracy in his country at all costs. See the project at http://mediastorm.com/clients/2019-icp-infinity-awards-shahidul-alam

There’s Power in Photography: The Undying Resilience of Dhaka’s Chobi Mela Festival

Interview with Shahidul Alam by Daniel Boetker-Smith
Photojournalist and activist Shahidul Alam speaks out about the effects of his detainment on Dhaka’s Chobi Mela Festival, and how the event still plans to persevere for years to come.
SHAHIDUL ALAM Photo: Tom Hatlestad
The year 2018 is one that Shahidul Alam, and the wider international photographic community, will not forget so easily. In August last year, just hours after an interview on Al Jazeera where he openly criticized the Bangladesh government’s violent response to student protests, Alam was forcibly taken from his home by the Dhaka Metropolitan Police and arrested.
While remanded, Alam was interrogated and beaten. Following a significant outpouring of support and pressure from Amnesty International, the Committee to Protect Journalists, Reporters Without Borders and other Bangladeshi and international organizations and notable figures, Alam was released after spending 107 days in prison.
As a widely respected activist, photojournalist and academic, Alam is most prominently known as founder of the Drik Picture Library, the Pathshala South Asian Media Institute and the biannual Chobi Mela Photography Festival in Dhaka, Bangladesh, which returns on February 28th of this year for its tenth edition.

In one of his first major interviews since the events of late last year, Alam talks to Daniel Boetker-Smith about the upcoming festival, the political power of photography, and the state of the medium in Bangladesh, South Asia and beyond.


Tunisia, from the series “Exodus from Libya”. Bangladeshi migrant labourers who have fled the unrest in Libya walking along a road from the border post at Ras Ajdir towards a refugee camp set up by UNHCR near the town of Ben Gardane in Tunisia. Tens of thousands of people have fled the unrest in Libya, which started on 17 February 2011 as a popular uprising against the 41-year rule of Libyan leader Muammar Gaddafi. © Chris de Bode

DBS: Given recent events that we have all followed closely, how has planning for this Festival been different to previous years?

SA: The last few months have meant that this year’s festival is coming back to its roots. Chobi Mela began as a very small event, and over the past 20 years it grew significantly in stature. But this year, we are activating a diverse range of less formal exhibition venues around Dhaka. This shift is one of necessity, because Chobi Mela is not an organization that everyone in Bangladesh wants to work with at the moment—we are seen as dangerous. A lot of previous supporters and sponsors of the festival are businesses in Dhaka, and right now they are being tested. They know that their decisions are being monitored and that there is high level of government surveillance surrounding the event. Because of this, we have had to be more inventive, finding new ways to show work, utilizing different types of exhibition and event spaces for photographers and audiences. Some public venues and government-owned buildings are no longer available to us, and we are choosing to see this as an opportunity to move away from the traditional ‘white cube’ mode of presentation, to a much more raw and community-oriented festival. Continue reading “There’s Power in Photography: The Undying Resilience of Dhaka’s Chobi Mela Festival”

Lucie Awards Honoree Shahidul Alam for Humanitarian Award

Tribute video for 2018 Lucie Awards Honoree Shahidul Alam for the Humanitarian Award.

Presented at Zankel Hall at Carnegie Hall in New York City, Sunday October 28th 2018. Presented and Received by Gayatri Spivak.

2018 Lucie Awards Honoree: Shahidul Alam, Humanitarian Award from Lucie Foundation on Vimeo.

Kalpana's Warriors in Delhi

Kalpana's Warriors_Exehibition Opening
Opening of “Kalpana’s Warriors” at Drik Gallery 12 June 2015 on the 19th anniversary of her abduction. Photo: Habibul Haque/Drik

Shahidul Alam has long been gripped by the life of a woman he has never met.

It’s been two decades since Kalpana Chakma was abducted, but Shahidul refuses to forget her. Standing at the threshold of his latest exhibition,Kalpana’s Warriors, the Bangladeshi photographer pauses for a moment.

In the room beyond is the third in a series of photo exhibitions that began with Searching for Kalpana Chakma in 2013, and was followed by 18 in 2014. The woman around whom these pictures revolve is notably absent from them. She was abducted at gunpoint in the early hours of 12 June 1996 from her home in Rangamati in Bangladesh. Her captors were a group of plain-clothed men who were recognised as being from a nearby army camp. Kalpana never returned home and her fate remains unknown.

When the exhibition first opened at the Drik Gallery in Dhaka, many of those who had been photographed could not risk coming out of hiding, yet the room was full of people who knew Kalpana’s story intimately. Some simply stood for a while before the portraits, others wept.
Continue reading “Kalpana's Warriors in Delhi”

Establishment Earthquaker

By Manik Katyal Emaho Magazine

Emaho got into a free-wheeling tête-à-tête with the legendary award-winning Bangladeshi photographer, Shahidul Alam to pry beyond his politics

Manik: In all your past interviews, you have mentioned how photography happened to you, so I will not ask that question, but what is photography for you? And your relationship with politics?

Shahidul: I am a very political animal and the reason I took up photography was because of my political position. Being concerned about the social situation in my country and globally, I happened to stumble into photography and discovered what a powerful tool it was; which happens to be the only reason why I practice it. I am fond of photography, I enjoyed images but at the end of the day that for me is not the point of the exercise. I continued to use photography in whatever way I can. Largely because, I see the strength of the medium and I recognise the potential. Having said that I think – I have said this before – that if tomorrow it ceases to effective, I’ll have no qualms about giving it up and taking something new.

WHILE MY MALE FRIENDS WERE PERFECTLY HAPPY TO PHOTOGRAPH WOMEN IN THE NUDE, WHEN I ASKED IF I COULD PHOTOGRAPH THEM, THEY BECAME VERY COY. SO IT HAD TO BE SELF PORTRAITS! KINGSBURY. LONDON. 1980. © SHAHIDUL ALAM/DRIK/MAJORITY WORLD

Continue reading “Establishment Earthquaker”

Deutsche Welle interviews Shahidul Alam on “Searching for Kalpana Chakma” show (Bangla)

Military’s sole role has been repression

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দৃকের প্রতিষ্ঠাতা ড. শহীদুল আলম৷ গত সপ্তাহে জার্মানি সফরকালে ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’৷

ডয়চে ভেলের গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম সম্মেলনে অংশ নিতে গত ১৭ থেকে ১৯ জুন বন শহরে অবস্থান করেন ড. শহীদুল আলম৷ এসময় ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি কল্পনা চাকমা অপহরণ বিষয়ে সর্বশেষ অনুসন্ধানের কথা জানান৷ সম্প্রতি শহীদুল এবং সায়দিয়া গুলরুখ এই চাকমা তরুণীর খোঁজ করেছেন৷ এই সংক্রান্ত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার দৃক গ্যালারিতে৷

কল্পনা চাকমা অপহরণ

বাংলাদেশে অন্যতম আলোচিত এবং চাঞ্চল্যকর ঘটনা কল্পনা চাকমা অপহরণ৷ ১৯৯৬ সালের ১১ জুন মধ্যরাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হন কল্পনা৷ এরপর থেকে আর তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি৷

সাক্ষাৎকারটি শুনতে ক্লিক করুন এখানে

কল্পনার অপহরণের বিষয়ে শহীদুল তাঁর গবেষণার ভিত্তিতে বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি অপহরণ করেছে তাকে চিহ্নিত করা সত্ত্বেও এই ১৭ বছরে পুলিশ কিন্তু তাকে একবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি৷ আমরা এতবছর পর যে তিনজন ব্যক্তি (কল্পনা চাকমা অপহরণে) অভিযুক্ত তাদের মধ্যে দু’জনকে খুঁজে পেয়েছি৷ তবে ল্যাফটেনেন্ট ফেরদৌসের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি৷”

শহীদুল জানান, কল্পনা চাকমা অপহরণের জন্য প্রধান অভিযুক্ত লেফটেনেন্ট ফেরদৌস৷ অথচ তাঁর সম্পর্কে কোন তথ্য সামরিক বাহিনীর কাছে নেই বা তারা তা প্রকাশ করতে চায় না৷ শহীদুল বলেন, ‘‘একটা স্বাধীন দেশে এরকম একটি ঘটনা ঘটে যাবার পরে সাধারণ নাগরিকের জানার যে অধিকার, সেটা থেকে তাঁরা আজও বঞ্চিত হচ্ছে, এটা আমাকে অবাক করে৷”

কল্পনা কি বেঁচে আছেন?

কল্পনা চাকমাকে এখনো অপহৃত হিসেবেই বিবেচনা করছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা৷ তাই তাঁকে ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন কিছুটা হলেও দেখছেন কেউ কেউ৷ ১৭ বছর আগের এই অপহরণের প্রত্যক্ষ সাক্ষী কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমার সঙ্গে কথা বলে সেটাই মনে হয়েছে শহীদুলের৷ তবে বাস্তবতা তেমন নয়৷ শহীদুল বলেন, ‘‘আমরা যদি ঠান্ডা বাস্তবতার কথা ভাবি, তাহলে আমাদের সকলের কাছেই বিষয়টি পরিষ্কার৷ শুধু যে তাঁকে ১৭ বছর ধরে পাওয়া যায়নি, তা নয়৷ তাঁর শেষ যে আর্তনাদ ‘দাদা মোরে বাঁচা’ ঐ জায়গা থেকে শোনা যায়৷ তারপর কিন্তু গুলির শব্দ শোনা যায়৷ এবং তারপরের দিন গ্রামবাসী সেই জলাশয়ে (যেখান থেকে আর্তনাদ এবং গুলির শব্দ শোনা গেছে) লাশ খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু পায়নি৷”

ড. শহীদুল আলম

শহীদুল বলেন, ‘‘সামরিক বাহিনীর স্বভাবও আমাদের জানা আছে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে, যেখানে এত রকমের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, যেই নিপীড়নের ইতিহাসের মধ্যে যখন এরকম একজন শক্তিশালী, বিপ্লবী নেতাকে অপহরণ করা হয়, তারপরে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম৷”

‘একমাত্র কাজ শোষণ করা’

কল্পনা চাকমাকে অপহরণের পর পেরিয়ে গেছে ১৭ বছর৷ এই সময়ে একাধিকবার সরকার বদল হয়েছে৷ কিন্তু কোনো সরকারই অপহরণের বিষয়টি সুরাহায় কার্যত কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি৷ তারমানে কি কোনো সরকারই সামরিক বাহিনীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী নয়? এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে শহীদুল বলেন, ‘‘আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি৷ ৪৩ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি, তারা কিন্তু দেশরক্ষায় একবারও নিয়োজিত হয়নি৷ আমাদের শান্তি আছে, সেটা ভালো৷ তবে বিশাল অংক এদের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে৷ যেটা শিক্ষায় যেতে পারতো, স্বাস্থ্যে যেতে পারতো, অন্যান্য খাতে যেতে পারতো৷”

শহীদুল বলেন, ‘‘এমনকি যে জায়গায় তাদের কাছ থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি, আমাদের সীমান্তে বাঙালিদের যে পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফ-রা গুলি করছে, সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে অন্তত বাঙালিদের, বাংলাদেশিদের বাঁচানো, সেই কাজেও তারা (সেনাবাহিনী) কোনো কিছু করেনি৷ তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা৷”

উল্লেখ্য, গত ১২ থেকে ২১ জুন ঢাকার দৃক গ্যালারিতে ‘কল্পনা চাকমার খোঁজে’ শীর্ষক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ এর আগে দৃকে দু’টি প্রদর্শনী সরকার বন্ধ করে দিলেও এবার সেরকম কিছু হয়নি বলে জানান শহীদুল৷

সাক্ষাৎকার: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের আরেক সহযোগী ‘দৃক’

জার্মান আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে সম্প্রতি দৃক মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ এই চুক্তির আওতায় দৃকের তৈরি বাংলাদেশভিত্তিক বিভিন্ন ‘মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট’ ব্যবহার করবে ডয়চে ভেলে৷ (24.06.2013)

‘পরপর দু’বার বাংলাদেশ জয়ী হলো, হ্যাট্রিকের আশায় থাকি’

ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড ‘দ্য বব্স’-এর বাংলা ভাষার বিচারক ড. শহীদুল আলম৷ অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও তাঁর সাফল্য কম নয়৷ তাই হ্যাট্রিকের অপেক্ষা করতেই পারেন শহীদুল৷ (07.05.2013)

‘পরপর দু’বার বাংলাদেশ জয়ী হলো, হ্যাট্রিকের আশায় থাকি’

ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড ‘দ্য বব্স’-এর বাংলা ভাষার বিচারক ড. শহীদুল আলম৷ অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও তাঁর সাফল্য কম নয়৷ তাই হ্যাট্রিকের অপেক্ষা করতেই পারেন শহীদুল৷

ডয়চে ভেলের সেরা ব্লগ অনুসন্ধান বা সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ডের সংক্ষিপ্ত নাম ‘দ্য বব্স’৷ এই প্রতিযোগিতায় বর্তমানে অংশ নেন বিশ্বের ১৪টি ভাষার ব্লগার, অ্যাক্টিভিস্টরা৷ পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে৷ প্রতিযোগিতাটি পুরোপুরি আন্তর্জাতিক৷ আর এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলা ভাষার অর্জন বেশ ঈর্ষনীয়৷

২০০৯ সালে দ্য বব্স-এ অংশ নেওয়ার পর ২০১২ সালে বিভিন্ন ভাষার প্রতিযোগীর সঙ্গে লড়াই করে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স অ্যাওয়ার্ড জয় করেন আবু সুফিয়ান৷ বার্লিনে বিভিন্ন ভাষার জুরি সদস্যদের বৈঠকে ভোটের মাধ্যমে এই সম্মাননা অর্জন করেন তিনি৷ প্রতিযোগিতায় ছয়টি আন্তর্জাতিক মিশ্র বিভাগের একটিতে বাংলা ভাষার জুরি অ্যাওয়ার্ড ‍অর্জন সেটাই প্রথম৷

২০১৩ সালের জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে বাংলাদেশের তথ্যকল্যাণী প্রকল্প

এখানে বলে রাখা ভালো, এই প্রতিযোগিতায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি রয়েছে ফার্সি, আরবি, চীনা, রাশিয়ান, জার্মান, ইংরেজির মতো ভাষা৷ এসব ভাষায় বিভিন্ন ধরনের, গঠনের ব্লগ রয়েছে৷ বিষয়বস্তুও বিস্মৃত৷ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এসব ভাষার গুরুত্বও আলাদা৷ তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় সাফল্য অর্জনে খুব একটা সময় নেয়নি বাংলা ভাষা৷ বরং ২০১৩ সালের প্রতিযোগিতায় ‘গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম’ বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে বাংলাদেশের তথ্যকল্যাণী প্রকল্প৷ জার্মানির রাজধানী বার্লিনে গত ৪ঠা মে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিচারকদের ভোটে জয়ী হয় এই প্রকল্প৷

বার্লিনের বৈঠকে বাংলা ভাষার বিচারক হিসেবে হাজির ছিলেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী, ব্লগার ড. শহীদুল আলম৷ তথ্যকল্যাণীসহ বাংলা ভাষার অন্যান্য প্রকল্প এবং ব্লগ সম্পর্কে বৈঠকে সবাইকে জানিয়েছেন তিনি৷ তথ্যকল্যাণী প্রকল্পের সাফল্যের পর ডয়চে ভেলেকে শহীদুল বলেন, ‘‘বাংলাদেশের একটি প্রকল্প পুরস্কার পেয়েছে, তাতে তো মজা পাবোই৷ তথ্যকল্যাণীরা তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সুবিধা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন৷’’

জুরিদের মধ্যে আসিফের ব্লগ নিয়েও বেশ আলোচনা হয়েছে

তবে শুধু তথ্যকল্যাণী নয়, বাংলা ভাষার একজন ব্লগারও আলোড়ন তুলেছিলেন জুরিমণ্ডলীর বৈঠকে৷ গত জানুয়ারি মাসে দুর্বৃত্তের হামলার শিকার এবং বর্তমানে কারাবন্দি ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনের অবস্থা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বৈঠকে৷ দ্য বব্স প্রতিযোগিতার ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ বিভাগে এ বছর বাংলা ভাষার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আসিফ৷ জুরি বৈঠকের প্রাথমিক পর্বে সবচেয়ে বেশি ভোট নিয়ে এগিয়ে গেলেও চূড়ান্ত ভোটাভুটিতে হেরে যান তিনি৷ এই প্রসঙ্গে শহীদুল বলেন, ‘‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে, সেটা ভাবলে আসিফেরই পুরস্কার পাবার কথা৷ তবে এটা ঠিক, গতবছরও আমরা এই বিভাগে পুরস্কার পেয়েছিলাম এবং সামগ্রিকভাবে পরপর দু’বছর একই দেশকে পুরস্কার দেওয়ার ব্যাপারে একটি ইতস্ততা হয়ত ওদের ছিল৷ এছাড়া, এটা না পাওয়ার কোনো কারণ ছিল না৷’’

প্রসঙ্গত, ডয়চে ভেলের প্রতিযোগিতায় এ বছর মনোনয়ন জমা পড়ে চার হাজারের বেশি৷ এ সব মনোনয়নের দিকে নজর দিলে বিভিন্ন দেশের ব্লগের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যগুলো বেশ চোখে পড়ে৷ ব্লগের বিষয় বৈচিত্র এবং উপস্থাপনের দিকটি বিবেচনা করলে অন্যান্য ভাষার তুলনায় বাংলা ভাষা এখনো বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে৷ ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টির দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শহীদুল৷ তিনি বলেন, ‘‘বিষয়ের দিক থেকে না হলেও প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা পিছিয়ে আছি৷ আমার মনে হয় ব্লগের ডিজাইনের ক্ষেত্রে, ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে, ভিডিও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি৷ তবে আমি আশা করি, সামনে ব্লগাররা সেগুলোকে গুরুত্ব দেবেন৷’’

উল্লেখ্য, শহীদুলের নেতৃত্বে দ্য বব্স প্রতিযোগিতায় পরপর দু’বার আন্তর্জাতিক বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে বাংলা ভাষা৷ দ্য বব্স-এর ইতিহাসে খুব কম ভাষাই এমন সাফল্য অর্জন করতে পরেছে৷ আগামী বছর আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার দশ বছর পূর্ণ হবে৷ শহীদুলের আশা, আগামীতেও জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জনে সক্ষম হবে বাংলা ভাষা৷ তিনি বলেন, ‘‘পরপর দু’বার বাংলাদেশ জয়ী হলো, (এবার) হ্যাট্রিকের আশায় থাকি৷’’

সাক্ষাৎকার: আরাফাতুল ইসলাম, বার্লিন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

বাংলাদেশি তথ্যকল্যাণীদের বিশ্বজয়

তথ্যকল্যাণী – প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বিভিন্ন সেবা প্রদান করেন তাঁরা৷ চলতি বছর ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড ‘দ্য বব্স’-এর একটি বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করেছেন তথ্যকল্যাণীরা৷ (07.05.2013)

ডয়চে ভেলের ‘বেস্ট অফ ব্লগস’ প্রতিযোগিতায় গোটা বিশ্বের সেরা ব্লগারদের বেছে নিলেন আন্তর্জাতিক বিচারকমণ্ডলীর ১৫ জন সদস্য৷ বিচারকাজ সম্পন্ন হয় ডয়চে ভেলের বার্লিন অফিসে৷ এ বছর ৪,২০০-রও বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছিল৷ (07.05.2013)

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

Shahidul Alam: Interview on BBC Asia News Network

Interview on 22nd February 2013, where he talks about the Shahbagh movement, his recent exhibition at Oitijjo in the South Bank in London and his upcoming exhibition on the disappearance of Kalpana Chakma.

Interview on BBC Asia News Network part 1
Interview on BBC Asia News Network part 2
Interview on BBC Asia News Network part 3

Homeward bound

Even the pit stop in Dhaka is threatened by Jamaat’s hartal tomorrow. I am hoping it will be even more of a flop than previous ones. Those of you who missed the interview in BBC (1:09 into the programme where I talk about Shahbagh). Look out for the oped in New York Times on Friday and the interview on Listening Post in Al Jazeera on Saturday.

Here are some pictures taken on my way back:
It’s a hard life. On the rare occasions when I get bumped up to business class.
My plane waiting at the boarding gate
The courtyard
Sunny afternoon in Salzburg

Space Invader ? Christian Caujolle

Interviewed by Manik Katyal: Emaho Magazine

Emaho caught up with celebrated French curator and photographer Christian Caujolle to see the view from his rarefied space.
Manik: It?s been more than 26 years roughly that you have started your career as a photo editor with Liberation and then you started curating; how has the journey and experience been so far?
Christian: I think that the first thing is that for different reasons the environment of photography and then the content?the aesthetics of photography radically changed. Let?s say that there are two main points which made those changes radical. One is the crisis of media business in printed paper and the second one is the invention of technology with the invention of development and coming of digital image. So the result in one way is a fact that the traditional media are in economic trouble but also may be conceptual trouble. As a consequence on what was the main or more visible area of photography from the 50s-80s, which was information, information with mostly photojournalism and part of documentary. That doesn?t means that photojournalism died, that means it?s no more at its top; that means that documentary photography, I will say in tradition which is an old tradition including from the beginning of 20th century when someone as Sander became more important than before in and after? there are big changes in the perception of photography with the development of the functionality of books, the exhibitions. Continue reading “Space Invader ? Christian Caujolle”