ROMEL CHAKMA II: Is custodial killing heroic?

by rahnuma ahmed

Official versions conflict about why Romel Chakma – a 20-year old HSC examinee and student leader of the Pahari Chatra Parishad – was picked up by the army, whether he was transferred from army to police custody while in Naniachar, whether his admission to, and 2-weeklong treatment at, the Chittagong Medical College and Hospital (CMCH), occurred under police custody, and lastly, whether the Naniachar police station’s officer-in-charge (OC) was physically present when Romel’s body was burnt (not cremated, for his body was not handed over to his family), a few hundred yards away from his home in Purba Hatimara village, Naniachar.

Romel was not ill, nor was he suffering from any kind of injury when he was picked up. I have not come across any such media reports, nor does Romel’s father Kanti Chakma, in his letter to the National Human Rights Commission (NHRC, dated April 6, 2017), make any such mention. One can therefore assume that he was reasonably fit and healthy (beside the stresses and strains of appearing for his exams), when he was picked up.
Continue reading “ROMEL CHAKMA II: Is custodial killing heroic?”

সেনাবাহিনী বিষয়ে আমার বক্তব্য খন্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নামক একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে ২০১৩ সালে ডয়েচে ওয়েলেকে দেয়া আমার একটি সাক্ষাৎকার থেকে খন্ডিতভাবে এক টুকরো অংশ উদ্ধৄত করে একটি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেখানে বলেছে:

“দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল শহিদুল আলম। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে আন্তর্জাতিক একটি মিডিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।”

২১ বছর আগে অপহৃত হিল উইমেন্স ফেডারেশেনের নেত্রী কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমি ২০১৩ সালে যেই প্রদশর্নী করেছিলাম তার উপর দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পুরোটুকু ফেলে দিয়ে মাঝখান থেকে  খন্ডিতভাবে ছোট এক টুকরো অংশ কেটে নিয়ে তারা যেভাবে প্রচার করছে তার থেকে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, কল্পনা চাকমার অপহরণের সাথে সেনা সদস্যর সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ, যার উল্লেখ আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও ২০০৯ সালের একটি টিভি টক শোতে করেছিলেন, সেই অভিযোগের কোন বিচার এত বছর ধরে হয়নি। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে যে জাতিগত নিপীড়ন চলমান তারও কোন সুরাহা দশকের পর দশক ধরে হয়নি। এরই প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সামগ্রিকতার আলোকে কিছু আলোচনা আমি ঐ সাক্ষাতকারে করি। পাশাপাশি আমার যে প্রদর্শনী কল্পনা চাকমার অপহরণ নিয়ে হয়েছিল সেই প্রদর্শনীরও নানা দিক আমি সেখানে তুলে ধরি। ফলে সেখানে আমাকে কল্পনা চাকমার অপহরণের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে যখন প্রশ্ন করা হয় “তার মানে এটা কি বলা যায় যে কোন সরকারই আসলে সামরিক বাহিনীর বিষয়ে বিশেষ কোন কিছু, কোন উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী নয়?” তখন এর উত্তরে আমি যা বলি তা ছিল নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভাল। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। এমনকি যে জায়গায় তাদের থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি আমাদের এই বর্ডারে যে বাঙালীদের পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফরা গুলি করছে সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে তাদের অন্তত এই পরিস্থিতিতে বাঙালীদের, বাংলাদেশীদের বাঁচানো সেই কাজেও তারা কোন কিছু করেনি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানীরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারী আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন? কিন্তু যে কথা আপনি বললেন, যখন যে সরকারই এসেছে এদেরকে তুষ্ট করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। এবং এটাও ভাবতে হবে যে আমাদের দেশের জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে, জেনারেল জিয়াকে যারা হত্যা করেছে, আমাদের নেতাদের জেলে যারা হত্যা করেছে তারা কিন্তু এই দলেরই মানুষ।”

কিন্তু আমার উত্তর থেকে বিএসএফ এর সীমান্ত হত্যা ঠেকাতে না পারা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যা বিষয়ক  খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে  তারা যেভাবে খন্ডিত আকারে আমার বক্তব্যটি প্রচার করছে তা নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভালো। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানিরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারি আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন?”

এভাবে আমার প্রায় পুরো সাক্ষাতকারটাই বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে একটি প্রশ্নকে বেছে নিয়ে তার উত্তরে আমি যা বলেছিলাম তারও গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ বাদ দিয়ে যেভাবে খন্ডিতভাবে আমার বক্তব্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আমার কাছে এটা বিস্ময়কর যে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেইজ কি করে আমার উত্তর থেকে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে ছেঁটে ফেলল! আমি মনে করি সামগ্রিকতার আলোকে সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়েই গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থেই সামরিক বাহিনী সহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উচিত এসব গঠনমূলক সমালোচনাকে নির্মোহভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা, আমলে নেয়া। সেই রাস্তা বন্ধ করাই বরং সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের মুখোমুখি করার ষড়যন্ত্রের সামিল।

আমার সাক্ষাতকারের অডিও লিংক পাবেন এখানে। আগ্রহীরা শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

শহিদুল আলম

 

 

ROMEL CHAKMA. PART-I: Is custodial killing heroic?

by rahnuma ahmed

Romel Chakma, 20 year-old HSC examinee and student leader of Pahari Chatra Parishad,
was picked up by army personnel on April 5, 2017. Allegedly tortured, he died in hospital two weeks later.

Romel Chakma © Photographer not known.

How does one restore dignity to the memory of a youth who was picked up and tortured, who died of torture, whose body was not handed over to family members for cremation, but burnt after pouring petrol and kerosene? Continue reading “ROMEL CHAKMA. PART-I: Is custodial killing heroic?”

DEATH OF ROMEL CHAKMA: NHRC seeks Army’s explanation

DEATH OF ROMEL CHAKMA

NHRC seeks Army’s explanation

Muktadir Rashid | Published: 00:23, Jun 24,2017 | Updated: 00:38, Jun 24,2017

The National Human Rights Commission has written to the defence ministry asking for a Bangladesh Army
explanation for the death of Romel Chakma as a commission investigation has observed that army personnel concerned cannot avoid the responsibility for the death.
Commission chairman Kazi Reazul Hoque told New Age on Friday that a full commission meeting analysed the investigation report and sent a copy of the report to the defence ministry asking for the explanation from the army in the past week.
“We did not get any version from army, so we wrote a letter to the defence ministry based on the recommendation made by the commission probe committee on the issue,” he said.
He said the commission found circumstantial evidences against perpetrators and wanted to know the army’s explanation.
Commission officials said that the commission received the copy of a letter of the defence ministry to the army headquarters seeking their explanation.
The three-member probe body headed by commission member Banchita Chakma, also former Rangamati College principal, submitted the report to the commission on June 11.
Banchita Chakma said that they submitted the report without any version from the army.
She said that the witness accounts suggested that the visually challenged ethnic minority youth was in the custody of the army when he died at Chittagong Medical College Hospital on April 20.
Physicians at the hospital in the medical report observed that Romel Chakma died from kidney infection.
Probe committee members said there were two reasons for kidney infections – severe internal injuries caused by either torture or major accident.
“We believed Romel was tortured,” said a commission member.
The probe body recorded statements of 15 people including Romel’s family, local police and physicians to examine what happened to the youth but no version from army was available.
The probe concluded that the army in no way could avoid the responsibility for the death of Romel Chakma.
The committee included commission’s deputy director in Rangamati Gazi Md Salahuddin and executive magistrate Tapos Shil from Rangamati district administration.
Committee members said that had approached army zone commander at Nannerchar on May 24 during the inquiry but could got no response.
The field office of army told the probe committee that they would speak if their high ups allowed them to talk.
The probe committee recorded the statement from five police officials who narrated that Romel Chakma was brought to them in a critical condition and that was why the police did not receive him.
The police officials told the committee that Romel did not carry major mark of injuries but he was vomiting and the army personnel carrying him informed police that Romel met an accident.
It takes hardly 10 minutes from the police station to the nearby health complex.
The inquiry found that it took one hour and a half to take Romel Chakma from police station to the health complex. Romel was moved to Chittagong Medical College Hospital where he was admitted under security protection by army personnel.
“We have collected the documents from police station and the hospital,” said a probe body member.
Formed on April 24, the three-member probe body met with Romel’s family and local people at his village Purba Hatimara under Burighat union of Nannerchar on May 1.
On April 6, Romel’s father Binoy Kanti Chakma wrote to the commission chairman demanding justice for the “inhuman torture” on his son by army personnel.
In a statement issued on April 24, commission Reazul termed it a serious violation of human rights to kill an innocent person in torture.
HSC examinee Romel, 20, was the general secretary of United Peoples- Democratic Front-backed Pahari Chhatra Parishad’s Nannerchar upazila unit.
He was allegedly picked up by local army personnel on April 5 and taken to police station in the evening.
The next morning, police and army personnel admitted him to the Chittagong Medical College Hospital, where he died on April 20.
Romel?s father alleged that they were barred from meeting him at the camp as well as at the hospital.
According to media reports, the Inter Services Public Relations alleged that Romel had masterminded the attack in which two buses were robbed and a truck was set on fire in the area on January 23.
Different rights groups, student bodies and UPDF demanded a judicial inquiry into the death terming the detention and torture unjust.

Moving opening ceremony of "Kalpana's Warriors"

Remarkable: Noam Chomsky

Absolutely stunning: Jess Worth. New Internationalist Magazine (Oxford)

We had a fabulous opening with moving recitation of Kabita Chakma’s poem “I will defy” by Aungmakhai ChakMarium Rupa and Rahnuma Ahmed. Many of the warriors were present in person. We were sad to miss Saydia Gulrukh, but her presence was felt.

I will resist, I shall defy
Will you do as you please?
You turned my home into sand
It was a forest where I stand
You made daylight go dark
Left it barren never a spark
I will resist. I shall defy
You strip me of my land
On my women, your hand
No longer shall I see
No longer will I be
Abandon, neglect, rage
A throbbing womb, my stage
I curl, I tear asunder
Awake, I search, I wander
I am who I am
And I will resist
I shall defy
Poem by Kabita Chakma
Translation by Shahidul Alam
Thanks to Arshad Jamal and Chris Riley for their support and Mohammad Mohsin Miah for helping with the printing. ASM Rezaur Rahman curated the show and the entire teams from Drik’s Publication, Gallery, Photography and Audio Visual Department as well as the volunteers from Pathshala did a wonderful job. We shall resist and we will continue to defy.

#kalpana ‘s Warriors by #Shahidul Alam at #Drik Gallery #photography #art #bangladesh #CHT #rights #dhaka #dhanmondi

A photo posted by Shahidul Alam (@shahidul001) on


Opening of "Kalpana's Warriors" at Drik Gallery II. Photo by Habibul@Drik
Opening of “Kalpana’s Warriors” at Drik Gallery II. Photo by Habibul@Drik

 

Opening of #kalpanaswarriors at #Drik gallery #dhaka #dhanmondi #photography #bangladesh #cht #rights A photo posted by Shahidul Alam (@shahidul001) on

Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors_Exehibition Opening Kalpana's Warriors exhibition opening at Drik Gallery

Kalpana's Warriors

Remarkable: Noam Chomsky

Absolutely stunning: Jess Worth. New Internationalist Magazine (Oxford)

E-Invitation card

They told me you were quiet. But I felt the rage in your silence. That when you spoke, they rose above themselves. But I felt their fear. That they held you amidst them. But I felt their loneliness. They pointed to the Koroi tree where you would all meet. The banyan tree under which you spoke. Ever so powerfully. They pointed to the mud floor, where you slept. I touched the mat that you had rested upon, and I knew I had found the vessel that must hold your image.

New settlements with glistening tin roofs dot the hillsides. According to Amnesty International as of June 2013 the Bangladeshi government had still not honored the terms of the peace accord nor addressed the Jumma peoples concerns over the return of their land. Amnesty estimate that there are currently 90,000 internally displaced Jumma families. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
New settlements with glistening tin roofs dot the hillsides. According to Amnesty International as of June 2013 the Bangladeshi government had still not honored the terms of the peace accord nor addressed the Jumma peoples concerns over the return of their land. Amnesty estimate that there are currently 90,000 internally displaced Jumma families. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

They had tried to erase you, your people, your memory. They had torched your homes and when coercion failed, when you remained defiant, they took you away, in the dead of night.

Abandoned typewriter in the room where Kalpana and her comrades used to meet. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Abandoned typewriter in the room where Kalpana and her comrades used to meet. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

The leaves burned as the soldiers stood and watched. The same leaves they weave to make your mat. The same leaves I shall burn, to etch your image. Will the burning mat hold your pain? Will the charred leaves hold your anger? Will the image rising from the crisp ashen leaves reignite us? Will you return Kalpana?

Pahari protestors could previously go to the GOC's office to express their grievances. Today, in Khagrachori, they no longer have that access. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Pahari protestors could previously go to the GOC’s office to express their grievances. Today, in Khagrachori, they no longer have that access. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
The Shapla Mor in Khagrachori was also a centre of protest. Pahari protesters are no longer allowed there, though Bangali settlers have access, says Kabita Chakma, former president of the Hill Women's Federation. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
The Shapla Mor in Khagrachori was also a centre of protest. Pahari protesters are no longer allowed there, though Bangali settlers have access, says Kabita Chakma, former president of the Hill Women’s Federation. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

For nineteen years I have waited, my unseen sister. For nineteen years they have waited, your warriors. Pahari, Bangali, men, women, young old. Was it what you said? What you stood for? Was it because you could see beyond the land, and language, the shape of one?s eyes and see what it meant to be a citizen of a free nation? For pahari, bangali, bihari, man, woman, hijra, rich, poor, destitute, Hindu, Muslim, Christian, Buddhist, Atheist, Agnostic, Animist.

Posters in the meeting room where Kalpana and her comrades used to gather. Khagrachori. CHT. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Posters in the meeting room where Kalpana and her comrades used to gather. Khagrachori. CHT. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

You had reminded us that a nation that fought oppression, could not rule by oppressing. That a people that fought for a language, could not triumph by suppressing another’s. That the martyrs who died, so we might be free, did not shed their blood, so we could become tyrants. That we who overcame the bullets and bayonets of soldiers, must never again be ruled through the barrel of a gun.

That Kalpana is what binds us. That is why Kalpana, you are not a pahari, or a woman or a chakma or a buddhist, but each one of us. For there can be no freedom that is built on the pain of the other. No friendship that relies on fear. No peace at the muzzle of a gun.

These Kalpana are your warriors. They have engaged in different ways, at different levels, sometimes with different beliefs. Some have stayed with you from the beginning. Others have drifted. They have not always shared political beliefs. But for you Kalpana, my unseen sister, they fight as one.

18492140629_057f1a44eb_b

The Process

The process involved in creating these images are rooted to the everyday realities of the hill people, the paharis. Repeatedly, the interviewees talked of the bareness of Kalpana’s home. That there was no furniture, that Kalpana slept on the floor on a straw mat.

Rather than print on conventional photographic media, we decided we would use material that was part of pahari daily lives. The straw mat became our canvas. The fire that had been used to raze pahari homes, also needed to be represented, so a laser beam was used to burn the straw, etching with flames, the images of rebellion.

It was the politics of this interaction that determined the physicality of the process. The laser beam consisted of a binary pulse. A binary present on our politics. In order to render the image, the image had to be converted in various ways. From RGB to Greyscale to Bitmap, from 16 bit to 8 bit to 1 bit. To keep detail in the skin tone despite the high contrast, the red channel needed to be enhanced. The Resolution and intensity and duration of the laser beam needed to be brought down to levels that resulted in the straw being selectively charred but not burnt to cinders.

A screen ruling that separated charred pixels while maintaining gradation had to be carefully selected. And then, working backwards, a lighting mechanism needed to be found that broke up the image into a discrete grid of light and dark tones, providing the contrast, the segmentation and the gradation, necessary to simulate the entire range of tones one expects in a fine print. This combination of lighting, digital rendering, printing technique and choice of medium, has led to the unique one off prints you see in this exhibition. A tribute to a unique woman that had walked among us.

Eighteen

“I think it is natural to expect the caged bird to be angry at those who imprisoned her. But if she understands that she has been imprisoned and that the cage is not her rightful place, then she has every right to claim the freedom of the skies!” Kalpana Chakma

Dress belonging to Kalpana Chakma. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World
Dress belonging to Kalpana Chakma. Photo: Shahidul Alam/Drik/Majority World

Eighteen. The legal age to vote. The age of sexual consent. The threshold of adulthood when one ceases to be a child. Eighteen. The sections of the Mahabharata. Eighteen armies fighting over eighteen days. Eighteen, the number of years we have waited for justice. Eighteen years that you have been gone Kalpana, my sister.
Continue reading “Eighteen”

Deutsche Welle interviews Shahidul Alam on “Searching for Kalpana Chakma” show (Bangla)

Military’s sole role has been repression

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দৃকের প্রতিষ্ঠাতা ড. শহীদুল আলম৷ গত সপ্তাহে জার্মানি সফরকালে ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা’৷

ডয়চে ভেলের গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম সম্মেলনে অংশ নিতে গত ১৭ থেকে ১৯ জুন বন শহরে অবস্থান করেন ড. শহীদুল আলম৷ এসময় ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি কল্পনা চাকমা অপহরণ বিষয়ে সর্বশেষ অনুসন্ধানের কথা জানান৷ সম্প্রতি শহীদুল এবং সায়দিয়া গুলরুখ এই চাকমা তরুণীর খোঁজ করেছেন৷ এই সংক্রান্ত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার দৃক গ্যালারিতে৷

কল্পনা চাকমা অপহরণ

বাংলাদেশে অন্যতম আলোচিত এবং চাঞ্চল্যকর ঘটনা কল্পনা চাকমা অপহরণ৷ ১৯৯৬ সালের ১১ জুন মধ্যরাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হন কল্পনা৷ এরপর থেকে আর তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি৷

সাক্ষাৎকারটি শুনতে ক্লিক করুন এখানে

কল্পনার অপহরণের বিষয়ে শহীদুল তাঁর গবেষণার ভিত্তিতে বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি অপহরণ করেছে তাকে চিহ্নিত করা সত্ত্বেও এই ১৭ বছরে পুলিশ কিন্তু তাকে একবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি৷ আমরা এতবছর পর যে তিনজন ব্যক্তি (কল্পনা চাকমা অপহরণে) অভিযুক্ত তাদের মধ্যে দু’জনকে খুঁজে পেয়েছি৷ তবে ল্যাফটেনেন্ট ফেরদৌসের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি৷”

শহীদুল জানান, কল্পনা চাকমা অপহরণের জন্য প্রধান অভিযুক্ত লেফটেনেন্ট ফেরদৌস৷ অথচ তাঁর সম্পর্কে কোন তথ্য সামরিক বাহিনীর কাছে নেই বা তারা তা প্রকাশ করতে চায় না৷ শহীদুল বলেন, ‘‘একটা স্বাধীন দেশে এরকম একটি ঘটনা ঘটে যাবার পরে সাধারণ নাগরিকের জানার যে অধিকার, সেটা থেকে তাঁরা আজও বঞ্চিত হচ্ছে, এটা আমাকে অবাক করে৷”

কল্পনা কি বেঁচে আছেন?

কল্পনা চাকমাকে এখনো অপহৃত হিসেবেই বিবেচনা করছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা৷ তাই তাঁকে ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন কিছুটা হলেও দেখছেন কেউ কেউ৷ ১৭ বছর আগের এই অপহরণের প্রত্যক্ষ সাক্ষী কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমার সঙ্গে কথা বলে সেটাই মনে হয়েছে শহীদুলের৷ তবে বাস্তবতা তেমন নয়৷ শহীদুল বলেন, ‘‘আমরা যদি ঠান্ডা বাস্তবতার কথা ভাবি, তাহলে আমাদের সকলের কাছেই বিষয়টি পরিষ্কার৷ শুধু যে তাঁকে ১৭ বছর ধরে পাওয়া যায়নি, তা নয়৷ তাঁর শেষ যে আর্তনাদ ‘দাদা মোরে বাঁচা’ ঐ জায়গা থেকে শোনা যায়৷ তারপর কিন্তু গুলির শব্দ শোনা যায়৷ এবং তারপরের দিন গ্রামবাসী সেই জলাশয়ে (যেখান থেকে আর্তনাদ এবং গুলির শব্দ শোনা গেছে) লাশ খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু পায়নি৷”

ড. শহীদুল আলম

শহীদুল বলেন, ‘‘সামরিক বাহিনীর স্বভাবও আমাদের জানা আছে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে, যেখানে এত রকমের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, যেই নিপীড়নের ইতিহাসের মধ্যে যখন এরকম একজন শক্তিশালী, বিপ্লবী নেতাকে অপহরণ করা হয়, তারপরে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম৷”

‘একমাত্র কাজ শোষণ করা’

কল্পনা চাকমাকে অপহরণের পর পেরিয়ে গেছে ১৭ বছর৷ এই সময়ে একাধিকবার সরকার বদল হয়েছে৷ কিন্তু কোনো সরকারই অপহরণের বিষয়টি সুরাহায় কার্যত কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি৷ তারমানে কি কোনো সরকারই সামরিক বাহিনীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী নয়? এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে শহীদুল বলেন, ‘‘আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি৷ ৪৩ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি, তারা কিন্তু দেশরক্ষায় একবারও নিয়োজিত হয়নি৷ আমাদের শান্তি আছে, সেটা ভালো৷ তবে বিশাল অংক এদের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে৷ যেটা শিক্ষায় যেতে পারতো, স্বাস্থ্যে যেতে পারতো, অন্যান্য খাতে যেতে পারতো৷”

শহীদুল বলেন, ‘‘এমনকি যে জায়গায় তাদের কাছ থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি, আমাদের সীমান্তে বাঙালিদের যে পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফ-রা গুলি করছে, সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে অন্তত বাঙালিদের, বাংলাদেশিদের বাঁচানো, সেই কাজেও তারা (সেনাবাহিনী) কোনো কিছু করেনি৷ তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা৷”

উল্লেখ্য, গত ১২ থেকে ২১ জুন ঢাকার দৃক গ্যালারিতে ‘কল্পনা চাকমার খোঁজে’ শীর্ষক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ এর আগে দৃকে দু’টি প্রদর্শনী সরকার বন্ধ করে দিলেও এবার সেরকম কিছু হয়নি বলে জানান শহীদুল৷

সাক্ষাৎকার: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের আরেক সহযোগী ‘দৃক’

জার্মান আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে সম্প্রতি দৃক মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ এই চুক্তির আওতায় দৃকের তৈরি বাংলাদেশভিত্তিক বিভিন্ন ‘মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট’ ব্যবহার করবে ডয়চে ভেলে৷ (24.06.2013)

‘পরপর দু’বার বাংলাদেশ জয়ী হলো, হ্যাট্রিকের আশায় থাকি’

ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড ‘দ্য বব্স’-এর বাংলা ভাষার বিচারক ড. শহীদুল আলম৷ অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও তাঁর সাফল্য কম নয়৷ তাই হ্যাট্রিকের অপেক্ষা করতেই পারেন শহীদুল৷ (07.05.2013)

Light in the hill


Photographer: Arifur Rahman

Title: Light in the Hill

Location: Bangladesh
There are stories in fragments, but more a gallery of portraits and human conditions. It is a photographic story that brings us very close to the smells, the colors and the efforts of a people living in extreme conditions.

YOUTH UPRISING AT SHAHBAGH

Reclaiming Ekattur: fashi, Bangali

By Rahnuma Ahmed

Prologue

EVEN THOUGH I was dying to, pressing work — to do with other activist engagements, the Tazreen factory firecommunal attacks in Ramu — forced me to stay away the first few days from the youth uprising which began at Shahbagh on February 5. The spontaneous sit-in, rapidly gathered into its fold hundreds of thousands of people who, driven by a deep sense of injustice, have felt compelled to go to Shahbagh to ‘right’ the wrongs of history committed in post-independence Bangladesh: war collaborators of 1971 have not only been unpunished in the ensuing four decades but have been reinstated politically, financially and socially at the national level.

The youth uprising quickly generated massive popular support, both in Shahbagh itself, where people have flooded to, and continue to do so, and also outwards, as protests modelled on Shahbagh rapidly spread across the country.

As the uprising gained ground, Shahbagh was dubbed Shahbagh Square by some, a la Cairo’s Tahrir Square, but as a blog commentator, expressing the feelings of many, pointed out, we got rid of our military dictator Hussain Muhammad Ershad more than two decades ago, “so no point in comparing us to them.. .. this is a different battle.. a battle to heal a wound festering for 42 years” (nafisabuet, CNN.com, February 7, 2013).

May be it is this “festering” wound of several generations which led Shahbagh, a very busy traffic intersection in central Dhaka, to soon be renamed Projonmo Chottor — Generation Square, by those who speak for the uprising.

Only hours after the Bloggers and Online Activists’ Network gathered at Shahbagh that historic Tuesday, February 5, 2013, to protest against the International Crimes Tribunal’s verdict of life imprisonment for Abdul Quader Molla, writer Faruk Wasif called me, spread the word, tell everyone to join us. Even though I wasn’t there in person for the next couple of days, Arup Rahee, Mushrefa Mishu, Shipra Bose, Udisa Islam, and many other dear friends, kept texting and ringing: the turnout’s huge, people’s anger is boiling, the verdict is a betrayal. We will not tolerate any more betrayals.

Nothing, however, had prepared me for the sea of humanity that flowed into an ever-expanding Projonmo Chottor from Matsya Bhaban in the east to Katabon in the west, down Chobir Haat in the south to Hotel Ruposhi Bangla in the north — when I joined last Friday’s moha shomabesh (grand rally), called at 3 pm. Since then, I have repeatedly gone back to Shahbagh, to the street theatres, the protests songs, the chants, the candle light vigils as nights falls …, well, because simply put, it is impossible to stay away.

The youth of this country have taken up Jahanara Imam’s baton, they have energised us, one is proud to be part of the non-partisanal but cracklingly sharp political will that they have generated. I salute them! They have shown us the way.

Shahbagh has now been transformed into a liberation square where hundreds of thousands of men, women and children gather, braving the traffic jams for which Dhaka city is notorious, undoubtedly worsened because of the Shahbagh protest, its liberatory character more apparent to women for, as many of us have puzzled, if women and girls cross over into New Market close by, or any other thronging public space in the city, they are likely to be sexually harassed, but here, no, not even in the middle of the night. It is true that security has been generously provided by the  government, police barricades have been set up, uniformed and plainclothes police mingle with the crowds, more recently, CCTV cameras have been set up, but the answer lies elsewhere, it lies in the liberatory character of people’s protests, for, the streets of Dhaka city had been similarly welcoming of women, for many days and nights on end, when general Ershad had been toppled from power in late 1990.

New Questions

Every revolution generates new questions on one side or another, said Talal Asad, when asked about Tahrir Square after his return from Cairo. It is intrinsic to every revolutionary situation (“The suspicious revolution,” The Immanent Frame, SSRC, August 3, 2011).

This leads me to ask, is the Shahbagh protest giving birth to new questions? If so, what are they?

The biggest question of course, was formulated by the verdict on Abdul Quader Molla, assistant secretary general, Bangladesh Jamaat-e-Islami, at the International Crimes Tribunal. The first verdict had found Abul Kalam Azad (Bacchu Razakar) guilty, he was given a death sentence. Molla too, was found equally guilty of war crimes, but he was given life imprisonment. Is the pronounced disparity in the two verdicts in any way connected to Bacchu not being a Jamaati, and therefore, is it indicative that the ruling Awami League is secretly using the ICT verdicts to negotiate a deal with the Jamaat, in order to break its alliance with the opposition BNP, and thereby, to ensure another term of office for itself? Further, is that why — as many patriotic dissenters have repeatedly asked — the ICT was formed not drawing upon the country’s best judges, lawyers and prosecutors, but on the basis of mindless allegiance and loyalty to the AL?

It is a question that hangs in the air, best summed up by veteran journalist ABM Musa, when he, in a private TV channel’s talk show, requested Shahbagh’s protestors to ask why Molla’s verdict was as it was instead of demanding fashi (hanging). Musa turned to the other discussant, a BNP leader (I’m afraid I’ve forgotten his name), smiled impishly and said, when election time comes, let’s say I decide not to vote for the Awami League but for the BNP, but when I see Jamaat peeping from behind, firmly lodged on your back, well, obviously, I retreat. The BNP leader had fallen silent.

An answer to this quandary has been beautifully provided by blogger Asif Mohiuddin, who reportedly said in a media interview, actually, we want the ruling party to be pro-liberation, we want the opposition party to be pro-liberation, we want that every political party, every political leader, every organisation, every school, college, madrasa, university, all business organisations, civic organisations, everyone in the country, should be pro-liberation.

Not a tall order but rather basic when you think of it, for, after all, it is the liberation war that led to the birth of Bangladesh.

The second question, much more difficult than the first, has been raised by several courageous freedom fighters and patriotic dissenters. I salute them as well.

Should we be demanding fashi, at all? Lubna Marium, freedom-fighter, dancer, writes, the Shahbagh movement should be about banning Jamaat from politics, it should not be about blood-thirsty calls for death. Taking another life does not bring peace, she says, as she writes of the never forgotten pain of seeing dead muktijoddha friends lined up on the ground. Of the pain of having her 15 year-old brother Nadeem –  a muktijoddha who had seen other muktijoddhas gouge out the eyes of a Pakistani soldier — later commit suicide (“Shahbag should be about banning ‘religion in politics’, not death,” Alal o Dulal, February 12, 2013).

Another blogger, who has spent the greater part of the week at Shahbagh, who is gratified at the “abject rejection of the BNP-Jamaat and JP [Jatiya Party] narrative of 1971” stirringly writes, and I quote:

“I will never agree on the death penalty for anyone…If it is handed down for a convicted war criminal, I’ll continue to work so that it is commuted to life imprisonment without the possibility of parole or Presidential clemency. Confiscate their property and compensate their victims, and let their children find their way out of the public humiliation and shame brought upon by the exposure of truth..Let us be better than them. I will continue to be there in Shahbagh even if I’m the last man standing, and I share this belief with millions of my brothers and sisters across our land.” (greaterboka, “A Week in Shahbagh, ” Alal o Dulal, February 14, 2013).

The first question needs to be strengthened, for, all major political parties have in some form or the other, aided in the rehabilitation and reinstatement of the Jamaat/war collaborators; we not only have to stigmatise Jamaat/war collaborators to extinction, we also have to work towards dismantling the ‘for’ and ‘anti’-liberation war dichotomy (Asif Mohiuddin) so that political parties can no longer electorally cash in on being pro-liberation. As for the second, maybe now is the time, difficult as it may seem because of the pentup fury and anger, to slowly initiate discussions over capital punishment. It is tied to the first as well, for the cries of fashi for war criminals which ring at Shahbagh, while apparently referring to the highest punishment awarded by the legal system, in terms of the emotive anger displayed, feed on long years of betrayal, both manifest and hidden, by political leaders, by the military establishment, by civilian bureacrats and business elite, by intellectuals, academics, writers and artists.

Old answers

The revolution at Tahrir Square was not “all pre-arranged and carefully thought out as a revolution” says Asad. People just discovered that they had “some power they didn’t think they had.” Disagreeing with the Egyptian novelist Alaa Al Aswany who had likened being in Tahrir Square as “like being in love” Asad says, “it’s more like a religious experience.”

Possibly more so, at Projonmo Chottor, I think, as I listen to the almost jikr-like  chant, “Fashi, fashi” chanted by young sloganeers, amplified by the large sound system, as I listen to the crowds roar back fashi chai (Hang, hang, we want him hanged).

Old muktijuddho slogans have made a comeback, Ami keTumi ke? (Who am I? Who are you?), questions answered by thousands of voices roaring back in unison, “Bangali, Bangali” — day in, day out, night in, night out.

By providing old answers, they re-draw the lines of ethnic exclusion, possibly forgivable in 1971 because Punjabi chauvinism had been countered by Bengali chauvinism, but now, forty-plus years later, after a recognition that ethnic minorities too had suffered and fought in the war of liberation, after the military occupation of the Chittagong Hill Tracts, after no peace being in sight despite a peace accord having been signed more than a decade and a half ago, and the everyday chauvinism suffered by all ethnic minorities, topped by the Fifteenth Amendment which un-recognises their distinct ethnic identities — it is absolutely unforgivable.

Let the young at Projonmo Chottor reclaim Ekattur, let them lead but without repeating the mistakes made by their elders.

————————————

Published in New Age, Friday, February 15, 2013