‘The Shahidul Alam I Know Is Gentle’

Urvashi Butalia writes about the times she met and worked with the Bangladeshi photojournalist, who was granted bail by the High Court in Dhaka after 102 days of detention.

I cannot now remember when I first met Shahidul Alam, but I think it was some twenty or more years ago when both of us served on the board of an organisation called Panos South Asia. My first impression of him was of a somewhat large, bearded man who spoke with an accent I could not place. It did not take long – perhaps a few hours – for this to change and for the warm, affectionate and caring human being to emerge.

Poppy McPherson

@poppymcp

Iconic shot of Bangladeshi photojournalist and rights activist Shahidul Alam, shared by the campaign. He finally got bail today after more than 100 days in prison, accused of spreading propaganda. He was arrested after posting on Facebook about protests in Dhaka.

To me, Shahidul came across that time as the best kind of nationalist. He loved – he still does – his country Bangladesh. His stint abroad – I never actually knew where he has studied or spent any time – had actually left this feeling much stronger in him. He told all of us about Drik, the photo agency that showcased photographers from the global South and that fiercely protected their rights and their work, refusing to accept that simply because they belonged to the South, their value was any the less. Drik charged for their photos as did international agencies, and why not, was Shahidul’s question. Continue reading “‘The Shahidul Alam I Know Is Gentle’”

Crossing the Threshold

The Drik Calendar 2019

We were behind schedule. Every August, I find myself writing the introduction to the Drik calendar. Over the last few years, we’ve developed a practice of featuring Chobi Mela on odd years and finding a topic of common interest on even ones. With my arrest on 5th August-for reporting on ongoing events-the equation changed. Drik, Pathshala, family and friends had all run ragged trying to arrange my release. The calendar was simply not a priority.
Cover of Drik calendar 2019 featuring work by Pathshala alumni

As things settled, we decided we would continue doing the things we did. That would become part of our resistance. However, the Bangladeshi Jail Code has restrictions on what a prisoner can send out. In my case, it meant a complete firewall.

Resourceful as ever, Rahnuma and Saydia, managed to get a short list of suggested photographs through to me, and I was able to do an edit. Abir Abdullah and Tanzim Wahab were to co-write the introduction. But we had underestimated the power of our brilliant legal team and the sheer doggedness of the local and global campaigners and I was finally granted bail on 15th November. Even that didn’t lead to my release, and after a lot of drama in and out of court, and tension constantly rising outside the jail gate, the political dam burst, leading to my release on the night of the 20th. As we sang our way out of prison, Rahnuma whispered in my ear “you have an intro to write.” No rest for the wicked. Continue reading “Crossing the Threshold”

Free Shahidul!

On the night of 5 August renowned Bangladeshi photographer Shahidul Alam – an old friend of and contributor to New Internationalist – was seized from his home in Dhanmondi, Dhaka, by men claiming to be plainclothes police officers. He appeared in court late in the afternoon of the following day, when the Detective Branch of the police requested and was given seven days’ detention during which they would interview him about his comments on the recent student demonstrations in Dhaka. Photographs and videos of his arrival at the Dhaka Metropolitan Magistrates’ Court show him to be barefoot and having to be half-dragged, half-supported along. He managed to say to a reporter present: ‘I was hit (in custody). (They) washed my blood-stained punjabi and then made me wear it again.’ Continue reading “Free Shahidul!”

সেনাবাহিনী বিষয়ে আমার বক্তব্য খন্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নামক একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে ২০১৩ সালে ডয়েচে ওয়েলেকে দেয়া আমার একটি সাক্ষাৎকার থেকে খন্ডিতভাবে এক টুকরো অংশ উদ্ধৄত করে একটি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেখানে বলেছে:

“দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল শহিদুল আলম। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে আন্তর্জাতিক একটি মিডিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।”

২১ বছর আগে অপহৃত হিল উইমেন্স ফেডারেশেনের নেত্রী কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমি ২০১৩ সালে যেই প্রদশর্নী করেছিলাম তার উপর দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পুরোটুকু ফেলে দিয়ে মাঝখান থেকে  খন্ডিতভাবে ছোট এক টুকরো অংশ কেটে নিয়ে তারা যেভাবে প্রচার করছে তার থেকে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, কল্পনা চাকমার অপহরণের সাথে সেনা সদস্যর সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ, যার উল্লেখ আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও ২০০৯ সালের একটি টিভি টক শোতে করেছিলেন, সেই অভিযোগের কোন বিচার এত বছর ধরে হয়নি। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে যে জাতিগত নিপীড়ন চলমান তারও কোন সুরাহা দশকের পর দশক ধরে হয়নি। এরই প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সামগ্রিকতার আলোকে কিছু আলোচনা আমি ঐ সাক্ষাতকারে করি। পাশাপাশি আমার যে প্রদর্শনী কল্পনা চাকমার অপহরণ নিয়ে হয়েছিল সেই প্রদর্শনীরও নানা দিক আমি সেখানে তুলে ধরি। ফলে সেখানে আমাকে কল্পনা চাকমার অপহরণের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে যখন প্রশ্ন করা হয় “তার মানে এটা কি বলা যায় যে কোন সরকারই আসলে সামরিক বাহিনীর বিষয়ে বিশেষ কোন কিছু, কোন উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী নয়?” তখন এর উত্তরে আমি যা বলি তা ছিল নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভাল। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। এমনকি যে জায়গায় তাদের থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি আমাদের এই বর্ডারে যে বাঙালীদের পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফরা গুলি করছে সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে তাদের অন্তত এই পরিস্থিতিতে বাঙালীদের, বাংলাদেশীদের বাঁচানো সেই কাজেও তারা কোন কিছু করেনি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানীরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারী আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন? কিন্তু যে কথা আপনি বললেন, যখন যে সরকারই এসেছে এদেরকে তুষ্ট করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। এবং এটাও ভাবতে হবে যে আমাদের দেশের জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে, জেনারেল জিয়াকে যারা হত্যা করেছে, আমাদের নেতাদের জেলে যারা হত্যা করেছে তারা কিন্তু এই দলেরই মানুষ।”

কিন্তু আমার উত্তর থেকে বিএসএফ এর সীমান্ত হত্যা ঠেকাতে না পারা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যা বিষয়ক  খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে  তারা যেভাবে খন্ডিত আকারে আমার বক্তব্যটি প্রচার করছে তা নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভালো। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানিরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারি আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন?”

এভাবে আমার প্রায় পুরো সাক্ষাতকারটাই বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে একটি প্রশ্নকে বেছে নিয়ে তার উত্তরে আমি যা বলেছিলাম তারও গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ বাদ দিয়ে যেভাবে খন্ডিতভাবে আমার বক্তব্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আমার কাছে এটা বিস্ময়কর যে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেইজ কি করে আমার উত্তর থেকে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে ছেঁটে ফেলল! আমি মনে করি সামগ্রিকতার আলোকে সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়েই গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থেই সামরিক বাহিনী সহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উচিত এসব গঠনমূলক সমালোচনাকে নির্মোহভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা, আমলে নেয়া। সেই রাস্তা বন্ধ করাই বরং সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের মুখোমুখি করার ষড়যন্ত্রের সামিল।

আমার সাক্ষাতকারের অডিও লিংক পাবেন এখানে। আগ্রহীরা শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

শহিদুল আলম

 

 

Shifting the Lens

06 December 2018 The Caravan

The Drik gallery was host to South Asia’s first World Press Photo exhibition in 1993. The exhibition was opened jointly by the deputy leader of BNP Dr. Badruddoza Chowdhury (later president of Bangladesh) and Mr Abdus Samad Chowdhury (later foreign minister). It was the only time these top leaders opened an event together/DRIK

On the night of 5 August, a couple of dozen men turned up at the photographer Shahidul Alam’s house in Dhaka. They dragged him from his apartment, bound and screaming, smashing surveillance cameras on the way out. Alam’s partner, Rahnuma Ahmed, was with a neighbour, so she could not react in time. By the time anyone fully realised what was going on, Alam had been thrown into a white van and driven off into the night’s darkness.

The following is an excerpt from “The Man Who Saw Too Much: Why the Bangladesh government fears Shahidul Alam,” by Kaamil Ahmed, published in The Caravan’s latest issue, alongside Alam’s visual account of Bangladesh’s extrajudicial killings. Subscribe now to read in full. Continue reading “Shifting the Lens”

Doing the Bhangra Down India Gate

Where’s your bicycle? The Uber driver asked me jokingly. Yes, I had been known in photography circles and it is true that I did know a few Nobel Laureates. Given that I am a public speaker, and wear several hats, I do also come across the odd head of state, or celebrity. I’d be overstating it if I said they all knew me well. I have featured prominently in a film produced by Sharon Stone, but the long conversation on the phone, after my release, was very much an exception. But now that I have Uber drivers recognizing me, and people stopping me in the streets for selfies, I need to be careful I don’t trip over my own ego. Maybe I should be thanking the same person that everyone else thanks for everything that ever happens in Bangladesh.

I flatly deny making payments to the Bangladesh government for running a media campaign on my behalf. Neither is it true that I deliberately planted the inconsistencies in their fake news, making it appear they can’t tell a Kaffiey from a tablecloth. Let’s not get too technical. It started with me being a Mossad agent and taking money from Israel. Now I’ve been placed in the Al Qaeda farm, and definitely anti Israel. Considering that Israel is the one country that my government does not have diplomatic relationships with, and the only country my passport is not valid for, being anti Israel should theoretically make me a pal. My enemy’s enemy is my friend and all that.

Screen shot of Arundhati Roy and Shahidul Alam in Blitz taken on December 19
Continue reading “Doing the Bhangra Down India Gate”

Behind the Scenes: Time Person of the Year 2018

Person Of The Year

Moises Saman photographing Shahidul Alam on Dec. 5 on his Dhaka, Bangladesh, rooftop

Time Magazine: Person of the Year 2018

Shahidul Alam, a photographer and activist who has documented human-rights abuses and political upheaval in Bangladesh for over 30 years. He was arrested in August for making “false” and “provocative” statements after criticizing Prime Minister Sheikh Hasina in an interview. Photographed at the future site of the Drikpath Building that will eventually house the Pathshala South Asian Media Institute and the Drik Picture Library set to open in 2019.
Shahidul Alam, a photographer and activist who has documented human-rights abuses and political upheaval in Bangladesh for over 30 years. He was arrested in August for making “false” and “provocative” statements after criticizing Prime Minister Sheikh Hasina in an interview. Photographed at the future site of the Drikpath Building that will eventually house the Pathshala South Asian Media Institute and the Drik Picture Library set to open in 2019. Moises Saman—Magnum Photos for TIME

By ELI MEIXLER / DHAKA

December 11, 2018

Propaganda, and the suppression of dissent

rahnuma ahmed

I have not acquired any fortune but I have my paternal estate and the pension of a Subedar. This is enough for me. The people in my village seem to respect me, and are now fully satisfied with the ease and benefits they enjoy under British rule.

Thus wrote Sita Ram in From Sepoy to Subedar, first published in 1873, sixteen years after the first war of independence (the British still refer to it as the Indian Rebellion, or the Indian Mutiny).

Sita Ram wrote the manuscript at the bidding of his commanding officer Lieutenant-Colonel Norgate in 1861, his son passed it on to the Englishman; the manuscript is supposed to have been written in Awadhi, Norgate translated it into English. An Urdu translation is also heard to have surfaced the same year. Few copies are known to have been sold, until 1911 that is, when a Colonel Phillott created a new syllabus for Hindustani exams, taken by colonial officers to test their knowledge of the language. Phillott himself translated the book into Urdu, and from then onwards, the autobiography of Sita Ram, who worked in the Bengal Native Army of the East India Company for forty-eight years (1812 to 1860)—became a ‘key text’ for British officers. The book was still part of the curriculum in the 1940s, it was translated into Devanagari in the same decade; a new and illustrated edition of the book (Norgate’s English translation), was brought out by James Lunt, as late as 1970. Continue reading “Propaganda, and the suppression of dissent”

PATHSHALA?S RESPONSE TO BDNEWS24.COM?S REPORT

Pathshala Campus
Pathshala Campus

A report on Pathshala South Asian Media Institute, published by the online news portal bdnews24.com, has come to our attention (“Shahidul Alam’s Pathshala operates without affiliation,” bdnews24.com, 6 August 2016). Unsubstantiated allegations, backbiting and innuendo and the absence of cross checking characterise the “report.” It is a shoddy piece of journalism. Continue reading “PATHSHALA?S RESPONSE TO BDNEWS24.COM?S REPORT”