Silence is not an option

Shahidul Alam is a Bangladeshi photojournalist, teacher, and social activist. A TIME “Person of the Year”, he is celebrated for his commitment to using his craft to preserve democracy in his country at all costs. See the project at http://mediastorm.com/clients/2019-icp-infinity-awards-shahidul-alam

The award ceremony in New York by Jose-Carlos Mariategui

Shahidul Alam: Caught in the Crossfire of Bangladesh’s Fledgling Democracy

DHAKA, BANGLADESH, 10/16/2018 © SK HASAN ALI / SHUTTERSTOCK

By Rachel Spence in Fair Observer •   OCTOBER 24, 2018

How do you persuade a government to release a prisoner, however wrongfully incarcerated, if it doesn’t want to cooperate?

Thousands of signatures, tweets, Instagram and Facebook posts. Dozens of articles. Then there are the rallies: from Kathmandu to New York, from Rome to New Delhi, London to Mumbai. Week by week, hundreds of people are gathering in public spaces to protest against the incarceration in Dhaka, Bangladesh, of photographer, journalist, teacher and activist Shahidul Alam.

Among the most headline-grabbing initiatives is Wasfia Nazreen’s sky-high stunt. The mountaineer and social activist — the first Bangladeshi to climb the Seven Summits — flew over Manhattan in an airplane trailing a banner that read “Free Shahidul Alam. Free our teachers.” Another high-profile intervention was made by artist Tania Bruguera, who was herself locked up in her native Cuba after she offended the state censors, and recently devoted her Tate Modern exhibition in London to a display of Alam’s photographs. “What keeps you going when you’re in prison,” Bruguera told me, “are your principles. And the support of others around you.” Continue reading “Shahidul Alam: Caught in the Crossfire of Bangladesh’s Fledgling Democracy”

Why I take photographs

Given the recent attempts, by authoritarian forces which I have been critical of, to undermine my credibility, I feel the reasons why I take photographs need to be tabled.

Desperation

The selfie sessions have now become a part of my life. Ever since coming out of Keraniganj, and possibly more, after becoming Time Magazine’s Person of the Year 2018, I’m stopped in the streets, in shopping malls, bookstores, roadside cafes, at restaurants and weddings. The most recent spree was at the National Press Club on the 11th, where there was a public hearing of parliamentary candidates who were victims of election fraud. I have no idea who this guy is, but Blitz has again come up with a howler.

Posting on Blitz of selfie taken on 11th January 2018 by unknown person when I was at National Press Club on the 11th, January 2019, where there was a public hearing of parliamentary candidates who were victims of election fraud

They’re getting somewhat desperate in their smear campaign. Not having been able to come up with anything vaguely credible, they are now getting quite ridiculous. First I was a Mossad Agent. Then ISI. Then they tried the Hizbut Tahrir poster. Now I’m a Jamaati! I’d better be careful. I’ve been photographed with the President, and several cabinet ministers. They’ll accuse me of being an Awami Leaguer next. Now that would ruin anybody’s reputation!

 

‘The Shahidul Alam I Know Is Gentle’

Urvashi Butalia writes about the times she met and worked with the Bangladeshi photojournalist, who was granted bail by the High Court in Dhaka after 102 days of detention.

I cannot now remember when I first met Shahidul Alam, but I think it was some twenty or more years ago when both of us served on the board of an organisation called Panos South Asia. My first impression of him was of a somewhat large, bearded man who spoke with an accent I could not place. It did not take long – perhaps a few hours – for this to change and for the warm, affectionate and caring human being to emerge.

Poppy McPherson

@poppymcp

Iconic shot of Bangladeshi photojournalist and rights activist Shahidul Alam, shared by the campaign. He finally got bail today after more than 100 days in prison, accused of spreading propaganda. He was arrested after posting on Facebook about protests in Dhaka.

To me, Shahidul came across that time as the best kind of nationalist. He loved – he still does – his country Bangladesh. His stint abroad – I never actually knew where he has studied or spent any time – had actually left this feeling much stronger in him. He told all of us about Drik, the photo agency that showcased photographers from the global South and that fiercely protected their rights and their work, refusing to accept that simply because they belonged to the South, their value was any the less. Drik charged for their photos as did international agencies, and why not, was Shahidul’s question. Continue reading “‘The Shahidul Alam I Know Is Gentle’”

Crossing the Threshold

The Drik Calendar 2019

We were behind schedule. Every August, I find myself writing the introduction to the Drik calendar. Over the last few years, we’ve developed a practice of featuring Chobi Mela on odd years and finding a topic of common interest on even ones. With my arrest on 5th August-for reporting on ongoing events-the equation changed. Drik, Pathshala, family and friends had all run ragged trying to arrange my release. The calendar was simply not a priority.
Cover of Drik calendar 2019 featuring work by Pathshala alumni

As things settled, we decided we would continue doing the things we did. That would become part of our resistance. However, the Bangladeshi Jail Code has restrictions on what a prisoner can send out. In my case, it meant a complete firewall.

Resourceful as ever, Rahnuma and Saydia, managed to get a short list of suggested photographs through to me, and I was able to do an edit. Abir Abdullah and Tanzim Wahab were to co-write the introduction. But we had underestimated the power of our brilliant legal team and the sheer doggedness of the local and global campaigners and I was finally granted bail on 15th November. Even that didn’t lead to my release, and after a lot of drama in and out of court, and tension constantly rising outside the jail gate, the political dam burst, leading to my release on the night of the 20th. As we sang our way out of prison, Rahnuma whispered in my ear “you have an intro to write.” No rest for the wicked. Continue reading “Crossing the Threshold”

Free Shahidul!

On the night of 5 August renowned Bangladeshi photographer Shahidul Alam – an old friend of and contributor to New Internationalist – was seized from his home in Dhanmondi, Dhaka, by men claiming to be plainclothes police officers. He appeared in court late in the afternoon of the following day, when the Detective Branch of the police requested and was given seven days’ detention during which they would interview him about his comments on the recent student demonstrations in Dhaka. Photographs and videos of his arrival at the Dhaka Metropolitan Magistrates’ Court show him to be barefoot and having to be half-dragged, half-supported along. He managed to say to a reporter present: ‘I was hit (in custody). (They) washed my blood-stained punjabi and then made me wear it again.’ Continue reading “Free Shahidul!”

সেনাবাহিনী বিষয়ে আমার বক্তব্য খন্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নামক একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে ২০১৩ সালে ডয়েচে ওয়েলেকে দেয়া আমার একটি সাক্ষাৎকার থেকে খন্ডিতভাবে এক টুকরো অংশ উদ্ধৄত করে একটি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেখানে বলেছে:

“দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল শহিদুল আলম। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে আন্তর্জাতিক একটি মিডিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।”

২১ বছর আগে অপহৃত হিল উইমেন্স ফেডারেশেনের নেত্রী কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমি ২০১৩ সালে যেই প্রদশর্নী করেছিলাম তার উপর দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পুরোটুকু ফেলে দিয়ে মাঝখান থেকে  খন্ডিতভাবে ছোট এক টুকরো অংশ কেটে নিয়ে তারা যেভাবে প্রচার করছে তার থেকে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, কল্পনা চাকমার অপহরণের সাথে সেনা সদস্যর সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ, যার উল্লেখ আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও ২০০৯ সালের একটি টিভি টক শোতে করেছিলেন, সেই অভিযোগের কোন বিচার এত বছর ধরে হয়নি। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে যে জাতিগত নিপীড়ন চলমান তারও কোন সুরাহা দশকের পর দশক ধরে হয়নি। এরই প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সামগ্রিকতার আলোকে কিছু আলোচনা আমি ঐ সাক্ষাতকারে করি। পাশাপাশি আমার যে প্রদর্শনী কল্পনা চাকমার অপহরণ নিয়ে হয়েছিল সেই প্রদর্শনীরও নানা দিক আমি সেখানে তুলে ধরি। ফলে সেখানে আমাকে কল্পনা চাকমার অপহরণের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে যখন প্রশ্ন করা হয় “তার মানে এটা কি বলা যায় যে কোন সরকারই আসলে সামরিক বাহিনীর বিষয়ে বিশেষ কোন কিছু, কোন উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী নয়?” তখন এর উত্তরে আমি যা বলি তা ছিল নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভাল। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। এমনকি যে জায়গায় তাদের থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি আমাদের এই বর্ডারে যে বাঙালীদের পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফরা গুলি করছে সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে তাদের অন্তত এই পরিস্থিতিতে বাঙালীদের, বাংলাদেশীদের বাঁচানো সেই কাজেও তারা কোন কিছু করেনি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানীরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারী আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন? কিন্তু যে কথা আপনি বললেন, যখন যে সরকারই এসেছে এদেরকে তুষ্ট করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। এবং এটাও ভাবতে হবে যে আমাদের দেশের জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে, জেনারেল জিয়াকে যারা হত্যা করেছে, আমাদের নেতাদের জেলে যারা হত্যা করেছে তারা কিন্তু এই দলেরই মানুষ।”

কিন্তু আমার উত্তর থেকে বিএসএফ এর সীমান্ত হত্যা ঠেকাতে না পারা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যা বিষয়ক  খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে  তারা যেভাবে খন্ডিত আকারে আমার বক্তব্যটি প্রচার করছে তা নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভালো। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানিরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারি আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন?”

এভাবে আমার প্রায় পুরো সাক্ষাতকারটাই বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে একটি প্রশ্নকে বেছে নিয়ে তার উত্তরে আমি যা বলেছিলাম তারও গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ বাদ দিয়ে যেভাবে খন্ডিতভাবে আমার বক্তব্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আমার কাছে এটা বিস্ময়কর যে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেইজ কি করে আমার উত্তর থেকে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে ছেঁটে ফেলল! আমি মনে করি সামগ্রিকতার আলোকে সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়েই গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থেই সামরিক বাহিনী সহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উচিত এসব গঠনমূলক সমালোচনাকে নির্মোহভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা, আমলে নেয়া। সেই রাস্তা বন্ধ করাই বরং সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের মুখোমুখি করার ষড়যন্ত্রের সামিল।

আমার সাক্ষাতকারের অডিও লিংক পাবেন এখানে। আগ্রহীরা শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

শহিদুল আলম

 

 

Shifting the Lens

06 December 2018 The Caravan

The Drik gallery was host to South Asia’s first World Press Photo exhibition in 1993. The exhibition was opened jointly by the deputy leader of BNP Dr. Badruddoza Chowdhury (later president of Bangladesh) and Mr Abdus Samad Chowdhury (later foreign minister). It was the only time these top leaders opened an event together/DRIK

On the night of 5 August, a couple of dozen men turned up at the photographer Shahidul Alam’s house in Dhaka. They dragged him from his apartment, bound and screaming, smashing surveillance cameras on the way out. Alam’s partner, Rahnuma Ahmed, was with a neighbour, so she could not react in time. By the time anyone fully realised what was going on, Alam had been thrown into a white van and driven off into the night’s darkness.

The following is an excerpt from “The Man Who Saw Too Much: Why the Bangladesh government fears Shahidul Alam,” by Kaamil Ahmed, published in The Caravan’s latest issue, alongside Alam’s visual account of Bangladesh’s extrajudicial killings. Subscribe now to read in full. Continue reading “Shifting the Lens”