Justice for Shahidul Alam

By Mahfuz Anam: The Daily Star

Who is this man whose arrest has sparked outrage and condemnation from global bodies and media, including Amnesty International, Committee to Protect Journalists (CPJ), PEN International, SAMDEN (South Asia Media Defenders Network) and publications such as the Guardian, The Washington Post and many South Asian media?

Shahidul Alam. Photo Courtesy: Rahnuma Ahmed

He is one of the most respected photographers in the world. Very few Bangladeshi of his profession has reached his present global stature. His pictures have been published in almost all the global newspapers and magazines in the world. He is among that elite corps of global photographers who is regularly hired by the most renowned global publications to do assignments in various parts of the world. The Guardian (London) while carrying news of his arrest (Aug 6) wrote “his photographs have been published in every major western media outlet, including The New York Times, Time Magazine and National Geographic in a career that has spanned four decades.” Only those in the world of professional photography can really appreciate the honour and prestige of getting published in the media of such renown. Continue reading “Justice for Shahidul Alam”

সেনাবাহিনী বিষয়ে আমার বক্তব্য খন্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নামক একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে ২০১৩ সালে ডয়েচে ওয়েলেকে দেয়া আমার একটি সাক্ষাৎকার থেকে খন্ডিতভাবে এক টুকরো অংশ উদ্ধৄত করে একটি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেখানে বলেছে:

“দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল শহিদুল আলম। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে আন্তর্জাতিক একটি মিডিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।”

২১ বছর আগে অপহৃত হিল উইমেন্স ফেডারেশেনের নেত্রী কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমি ২০১৩ সালে যেই প্রদশর্নী করেছিলাম তার উপর দেয়া ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পুরোটুকু ফেলে দিয়ে মাঝখান থেকে  খন্ডিতভাবে ছোট এক টুকরো অংশ কেটে নিয়ে তারা যেভাবে প্রচার করছে তার থেকে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, কল্পনা চাকমার অপহরণের সাথে সেনা সদস্যর সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ, যার উল্লেখ আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও ২০০৯ সালের একটি টিভি টক শোতে করেছিলেন, সেই অভিযোগের কোন বিচার এত বছর ধরে হয়নি। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে যে জাতিগত নিপীড়ন চলমান তারও কোন সুরাহা দশকের পর দশক ধরে হয়নি। এরই প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সামগ্রিকতার আলোকে কিছু আলোচনা আমি ঐ সাক্ষাতকারে করি। পাশাপাশি আমার যে প্রদর্শনী কল্পনা চাকমার অপহরণ নিয়ে হয়েছিল সেই প্রদর্শনীরও নানা দিক আমি সেখানে তুলে ধরি। ফলে সেখানে আমাকে কল্পনা চাকমার অপহরণের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে যখন প্রশ্ন করা হয় “তার মানে এটা কি বলা যায় যে কোন সরকারই আসলে সামরিক বাহিনীর বিষয়ে বিশেষ কোন কিছু, কোন উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী নয়?” তখন এর উত্তরে আমি যা বলি তা ছিল নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভাল। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। এমনকি যে জায়গায় তাদের থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি আমাদের এই বর্ডারে যে বাঙালীদের পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, বিএসএফরা গুলি করছে সেখানে প্রতিবাদ করা, সেখানে তাদের অন্তত এই পরিস্থিতিতে বাঙালীদের, বাংলাদেশীদের বাঁচানো সেই কাজেও তারা কোন কিছু করেনি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানীরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারী আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন? কিন্তু যে কথা আপনি বললেন, যখন যে সরকারই এসেছে এদেরকে তুষ্ট করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। এবং এটাও ভাবতে হবে যে আমাদের দেশের জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে, জেনারেল জিয়াকে যারা হত্যা করেছে, আমাদের নেতাদের জেলে যারা হত্যা করেছে তারা কিন্তু এই দলেরই মানুষ।”

কিন্তু আমার উত্তর থেকে বিএসএফ এর সীমান্ত হত্যা ঠেকাতে না পারা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যা বিষয়ক  খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে  তারা যেভাবে খন্ডিত আকারে আমার বক্তব্যটি প্রচার করছে তা নিম্নরূপ:

“আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই আমি প্রথমে প্রশ্ন করি। তেতাল্লিশ বছর ধরে আমরা যে সামরিক বাহিনীকে লালন করছি তারা কিন্তু একবারও দেশ রক্ষার কাজে কোনভাবে নিয়োজিত হয়নি। সেটা ভালো। আমাদের শান্তি আছে সেটা ভালো। তবে বিশাল অঙ্ক কিন্তু এদের উপর ব্যয় করা হচ্ছে যেটা শিক্ষায় যেতে পারত, স্বাস্থ্যে যেতে পারত, অন্যান্য ধরনের উন্নয়নে যেতে পারত, সেটা হয়নি। তাদের একমাত্র কাজ শোষণ করা। এই শোষণ তো পাকিস্তানিরা আমাদের করেছে। আমাদের নিজেদের মিলিটারি আমাদের শোষণ করবে এটা আমরা হজম করব এটা হবে কেন?”

এভাবে আমার প্রায় পুরো সাক্ষাতকারটাই বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে একটি প্রশ্নকে বেছে নিয়ে তার উত্তরে আমি যা বলেছিলাম তারও গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ বাদ দিয়ে যেভাবে খন্ডিতভাবে আমার বক্তব্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আমার কাছে এটা বিস্ময়কর যে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেইজ কি করে আমার উত্তর থেকে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে ছেঁটে ফেলল! আমি মনে করি সামগ্রিকতার আলোকে সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেকোন প্রতিষ্ঠান নিয়েই গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থেই সামরিক বাহিনী সহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উচিত এসব গঠনমূলক সমালোচনাকে নির্মোহভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা, আমলে নেয়া। সেই রাস্তা বন্ধ করাই বরং সামরিক বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের মুখোমুখি করার ষড়যন্ত্রের সামিল।

আমার সাক্ষাতকারের অডিও লিংক পাবেন এখানে। আগ্রহীরা শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

শহিদুল আলম

 

 

Shahidul and other Drik photographers attacked outside polling station

Drik photographers Shahidul Alam, Parvez Ahmed and Sumon Paul, along with writers Rahnuma Ahmed and Mahtab Uddin Ahmed went to the Dhanmondi Government Girls High School polling centre at 8:15am on 30 December 2018. The accreditation cards of the photographers issued by the Election Commission which authorized them to take photos, were visible. Shahidul Alam and Rahnuma Ahmed cast their votes, and when they had come out of the voting centre, a group of men approached photographer Shahidul Alam and demanded that he stop taking photographs. When asked what authority they had to prevent him from taking photographs, one of them, claiming he was the chairman of the Press Council, showed a laminated card around his neck with the Awami League’s boat symbol, but could not show any official documentation from the Election Commission. When Shahidul showed his press accreditation issued by the Election Commission, which authorized him to take photos, the group ignored it, became aggressive and accusing Shahidul of ‘treason’, started pushing him out. The other Drik members gathered upon which they started beating the photographers and trying to confiscate their equipment. One of them snatched away the mobile phone from Parvez Ahmed. Shahidul and Parvez were roughed up. Shahidul has been injured in his back.

Screen grab of attacker with Shahidul’s mobile phone

Upon trying to upload the photographs and videos of the attack, it was discovered that Shahidul’s verified Facebook account has been hacked. Misleading messages are currently being posted from his account.

While police were present, they made no attempt to prevent the attack. No military personnel were seen.

Speeding Along on Digital Bullock Carts

It was in the early nineties. Having decided we would create a platform for local photographers, it made no sense to set up our agency in the conventional marketplaces of London, Paris or New York. We had to be where the storytellers were, here in Dhaka. But we also needed to be connected with our buyers. International phone lines were difficult to get, and the calls were expensive. Sending photos by courier was clumsy, slow and prohibitively costly. Alternatives needed to be found. The judging of World Press Photo in Amsterdam provided an opportunity to link up with TOOL, an NGO in the Netherlands that specialized in providing appropriate technology in Majority World countries.

Traditional bullock cart race in Bangladesh. Photo: DrikNews

Together we decided to set up a South-South network of like-minded organisations using off-line Email. We assembled our own scanner. We also developed an electronic postbox which allowed us to link up with the Internet. Other providers, Pradeshta and Agni were also trying to get onto the digital highway. Each of us found our own solution, but our off-line email using FidoNet technology became one of the precursors of the digital revolution in Bangladesh. We called it DrikTAP (Drik TOOL Access Point). Continue reading “Speeding Along on Digital Bullock Carts”

The Guardians: Time Magazine Person of the Year 2018

Shahidul Alam, one of the journalists collectively considered the Time Person of the Year 2018. Photo Moises Sam/Magnum for Time

This year brought no shortage of other examples. Bangladeshi photographer Shahidul Alam was jailed for more than 100 days for making “false” and “provocative” statements after criticizing Prime Minister Sheikh Hasina in an interview about mass protests in Dhaka Continue reading “The Guardians: Time Magazine Person of the Year 2018”

Shifting the Lens

06 December 2018 The Caravan

The Drik gallery was host to South Asia’s first World Press Photo exhibition in 1993. The exhibition was opened jointly by the deputy leader of BNP Dr. Badruddoza Chowdhury (later president of Bangladesh) and Mr Abdus Samad Chowdhury (later foreign minister). It was the only time these top leaders opened an event together/DRIK

On the night of 5 August, a couple of dozen men turned up at the photographer Shahidul Alam’s house in Dhaka. They dragged him from his apartment, bound and screaming, smashing surveillance cameras on the way out. Alam’s partner, Rahnuma Ahmed, was with a neighbour, so she could not react in time. By the time anyone fully realised what was going on, Alam had been thrown into a white van and driven off into the night’s darkness.

The following is an excerpt from “The Man Who Saw Too Much: Why the Bangladesh government fears Shahidul Alam,” by Kaamil Ahmed, published in The Caravan’s latest issue, alongside Alam’s visual account of Bangladesh’s extrajudicial killings. Subscribe now to read in full. Continue reading “Shifting the Lens”

Doing the Bhangra Down India Gate

Where’s your bicycle? The Uber driver asked me jokingly. Yes, I had been known in photography circles and it is true that I did know a few Nobel Laureates. Given that I am a public speaker, and wear several hats, I do also come across the odd head of state, or celebrity. I’d be overstating it if I said they all knew me well. I have featured prominently in a film produced by Sharon Stone, but the long conversation on the phone, after my release, was very much an exception. But now that I have Uber drivers recognizing me, and people stopping me in the streets for selfies, I need to be careful I don’t trip over my own ego. Maybe I should be thanking the same person that everyone else thanks for everything that ever happens in Bangladesh.

I flatly deny making payments to the Bangladesh government for running a media campaign on my behalf. Neither is it true that I deliberately planted the inconsistencies in their fake news, making it appear they can’t tell a Kaffiey from a tablecloth. Let’s not get too technical. It started with me being a Mossad agent and taking money from Israel. Now I’ve been placed in the Al Qaeda farm, and definitely anti Israel. Considering that Israel is the one country that my government does not have diplomatic relationships with, and the only country my passport is not valid for, being anti Israel should theoretically make me a pal. My enemy’s enemy is my friend and all that.

Screen shot of Arundhati Roy and Shahidul Alam in Blitz taken on December 19
Continue reading “Doing the Bhangra Down India Gate”

Behind the Scenes: Time Person of the Year 2018

Person Of The Year

Moises Saman photographing Shahidul Alam on Dec. 5 on his Dhaka, Bangladesh, rooftop

Time Magazine: Person of the Year 2018

Shahidul Alam, a photographer and activist who has documented human-rights abuses and political upheaval in Bangladesh for over 30 years. He was arrested in August for making “false” and “provocative” statements after criticizing Prime Minister Sheikh Hasina in an interview. Photographed at the future site of the Drikpath Building that will eventually house the Pathshala South Asian Media Institute and the Drik Picture Library set to open in 2019.
Shahidul Alam, a photographer and activist who has documented human-rights abuses and political upheaval in Bangladesh for over 30 years. He was arrested in August for making “false” and “provocative” statements after criticizing Prime Minister Sheikh Hasina in an interview. Photographed at the future site of the Drikpath Building that will eventually house the Pathshala South Asian Media Institute and the Drik Picture Library set to open in 2019. Moises Saman—Magnum Photos for TIME

By ELI MEIXLER / DHAKA

December 11, 2018